আমার পয়সা নাইরে, কড়ি নাইরে, কেমনে যাবো মদিনায়? ও মাঝি ভাই, লইয়া যাও আমায়—(২)(মদিনায়) আমার হৃদয়-নদে নবীর প্রেমের উত্তাল জোয়ার আসে, আমি কেমন করে দরূদ পড়ি— বসে নবীর পাশে। (২)
(1) I love beauty— but it is no advertisement; that uninvited face of yours, where even drops of sweat become silent poems. (2) Even if you stand nowhere in competitions—
তুমি বলেছিলে— ভালোবাসা নাকি চিরকাল থাকে, আমি হেসে ভেবেছিলাম— চিরকাল কি সত্যিই কোথাও থাকে? তারপর একদিন— ডাক্তারের রিপোর্টে লেখা এল, “অজানা অসুখ”— ভালোবাসার মতোই, কারণ নেই, শুধু শেষ আছে। তুমি
আমার ভীষণ ইচ্ছে করে গাছের ডালে বাঁধি ঘর, ঘর বাঁধি না গাছের ডালে— ঝড়-তুফানের লাগে ডর। ইচ্ছে করে নদীর স্রোতে হারিয়ে যাই অজানায়, যাই না ভেসে নদীর জলে— সঙ্গীবিহীন ভয়
সুখ যে কবে হারিয়ে গেছে, আমার আঙিনা ছেড়ে। নয়ন জলে কান্নার বেশে, অজানা কোন দূর দেশে। সুখ সে তো বিরাজ করে, অন্য ভুবন মাঝে। দুঃখী আমায় একলা ফেলে, রয় যে
কার ইশারায় পূব আকাশে ভোরের রবি ওঠে, কার দয়াতে ধরায় এত নাজ-নেয়ামত জোটে। কার নামেতে কুসুম বাগে সুগন্ধি ফুল ফোটে, কার গুণগান গেয়ে গেয়ে ভ্রমরের দল ছোটে। কার ইশারায় গাছে
পালাবার পথ যে খোলা নাই, দিশাহীন আমি কোন পথে যাই? ঠিকানা তো মোর জানা নাই, তাইতো মন আজ “পালাতে চায়।” সুখের সন্ধানে ছুটলাম আমি হায়! সুখ আজ কোথাও আর নাই।
বীরাঙ্গনা, তোমার গল্প লিখবো কীভাবে? তোমার দুঃখ, তোমার ব্যথা, তোমার চোখের জল, সবই যে আমার হৃদয়ে গেঁথে আছে। তোমার শরীরে পাকি হানাদারদের ছোঁয়া, তোমার আত্মায় তাদের বিষাক্ত ছাপ, তবুও তুমি
জীবন একটা কঠিন জিনিস যায় না মুখে বলা, সারা জীবন বইতে হয় শুধু ছলা কলা। কার চেয়ে কে ভালো বোঝা বড় দায়, মানুষের জীবনে ক্ষতি করলে হয় না কোন আয়।
হেসে হেসে মেঘমালা বেড়ায় ভেসে, আলপনা এঁকে এঁকে, ভাসে নীলাকাশে । শুভ্র মেঘ হাসে, কখনো বৃষ্টি আসে, রিমঝিম বরষে, মৃদু-মধুর বাতাসে । মন যেন যেতে চায় কোথায়, অজানা ঠিকানায় !