
বীরাঙ্গনা, তোমার গল্প লিখবো কীভাবে?
তোমার দুঃখ, তোমার ব্যথা, তোমার চোখের জল,
সবই যে আমার হৃদয়ে গেঁথে আছে।
তোমার শরীরে পাকি হানাদারদের ছোঁয়া,
তোমার আত্মায় তাদের বিষাক্ত ছাপ,
তবুও তুমি দাঁড়িয়ে আছো,
একটি জাতির মুক্তির প্রতীক হয়ে।
তোমার গর্ভে জন্ম নেওয়া
সন্তান নিয়ে দুঃখ পেওনা
ওরা একটি নতুন প্রজন্মের প্রতীক।
তারা জানুক তোমার গল্প,
তারা জানুক তোমার বেদনা।
বীরাঙ্গনা, তোমার প্রতি সম্মান,
তোমার প্রতি শ্রদ্ধা,
তুমি আমাদের ইতিহাসের এক অংশ,
তুমি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল থাকবে,
হবেনা ধ্বংস।
স্বাধীনতা তোমার কাছে,
“এক কুরুচিপূর্ণ জারজ সন্তানের” মত নয়
যাকে জন্ম দিয়েছ রক্ত আর ঘামের বিনিময়ে
সে তো পাকি জুলুমের স্বাক্ষর।
তার চোখে বত্যমান দেখে সেই বাংলাদেশ, যা
অন্যায়, যুলূম পাকি নরপশুদের প্রতিচ্ছবি।
স্বাধীনতা তাই তোমার কাছে,
এক বেদনাদায়ক স্মৃতি।
যে শিশু জন্ম নিলো,
তার মাসুম হাসিতে তুমি খুঁজে নাও
তার জীবনের উদ্দেশ্য।
তার চোখে দেখো সেই ভবিষ্যত,
যে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে
অধম নরপশু ঐ পাকি হানাদারদের আর
তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর আলশামকে।
জবাবদিহিতায় আনবে তার মায়ের অপমানে।