বিদায় সংবর্ধনা ক্ষণে বাজলো বসন্তের বিদায়ীসঙ্গীত, চৈতালী দিবস-মাসে সম্ভাষণ জ্ঞাপনে ; দিকে দিকে শুনি অলি গুঞ্জরণে গীত আগমনী , নববর্ষ বরণের ; চৈতালী অন্তিম দিবসের হাত ধরে, সাথী হয়ে অনতিদূরে
read more
বৈশাখ এলো আবার ফিরে, সেই পুরনো বিহু সুরে, প্রেমের নামে আকাশটা আজ নীল হয়েছে অনেক দূরে। নতুন বছর, নতুন দিন— ক্যালেন্ডারে ধুলোর রাশি, আমি আবার পাগল হলাম, দেখে তোমার মিষ্টি
পৃথিবী সুন্দর হয়ে ওঠে— যখন শ্রমিকেরা কোদাল হাতে তুলে নেয়; যখন মেয়েরা কলম হাতে তুলে নেয়; যখন একটি শিশু তার শৈশবকে ফিরে পায়; যখন পাখিরা কিচিরমিচির করে; যখন একজন সৎ
বসন্ত এসেছিল শব্দ করেই পলাশের চিৎকারে। কোকিলের গলা ফাটানো ডাকে ঘুম ভেঙেছিল শহরের। রূপ ছিল তার কৃষ্ণচূড়ার, আগুন জ্বেলেছিল মোড়ে মোড়ে। গন্ধ ছিল নতুন শাড়ির, বুকপকেটে লুকানো চিরকুটের। যায়ও সে
তাম যদি সুগন্ধি ফুল গুলবাগেরই বুকে, ঘ্রাণ ছড়িয়ে নর্দমার দূর গন্ধ দিতাম রুখে। হতাম যদি জোছনা চাঁদের, দূর করে সব কালো, স্বকীয় বিভায় রাত রাঙাতাম, নিভিয়ে নিয়ন আলো। হতাম যদি