তোমার আমার ভালবাসা আকাশের ঐ শুভ্র মেঘের মত ভেসে বেড়ায় সীমাহীন নীলে, ধরে না কোনো ক্ষত। রোদ উঠলে সোনা হয়, বৃষ্টি এলে জল, তবুও তার ভেতর লুকিয়ে থাকে অবুঝ কোলাহল।
নববর্ষের শুভেচ্ছা হোক সব বাঙালি জাতি, ধর্ম বর্ণের বিভেদ ভুলে ভালো মানুষ খ্যাতি। বর্ষবরণ উৎসবে আজ প্রাণে উল্লাস জাগে, “এসো বৈশাখ” গানের সুরে নববর্ষের রাগে। ঢোলের তালে বাদ্য বাজায় নব
চৈত্রের খরতাপ ক্লান্ত দুপুরেও তোমাকে মনে পড়ে। পাশে যদি তুমি থাকতে আমার হাতটা ধরে। মনের মাঝে শীতল হাওয়া তখন বয়ে যেত। চৈতালির সেই খরতাপ তখন উধাও হতো। এমন মনের সেই
জীবনের উদ্দেশ্য কী, কোন পথে চলা উচিত? এ এক গভীর আলোড়ন, কীভাবে তা পার হওয়া উচিত? ১. কী উদ্দেশ্যে আমরা এই জীবন পেয়েছি, স্রোত আমাদের কোন দিকে নিয়ে যাবে? জীবনের
মহারাণী! ঝরে যাওয়া পত্র-পল্লব দেখেছ নিশ্চয়? প্রত্যহ নিয়ম মেনে যা ঝরে পড়ে অবহেলায়,অবলিলায়। ঝরা পাতার রংটা কেমন যেন ফ্যাঁকাশে,তাই না? ঠিক আমার মত। তোমার তো আবার উজ্জ্বলতায় আসক্তি। তাইতো অনুজ্জ্বল
শহরটা নতুন, আমি প্রতিদিন ঘুরে বেড়াই। আমি হোঁচট খাচ্ছি, আমার চিন্তাভাবনা বদলে যাচ্ছে। আমি নতুন জিনিস, নতুন মানুষ দেখছি। প্রতিটি মুখই অচেনা, গ্রামটা যেন এই মুহূর্তে আমার কাছে নতুন লাগছে।
বর্ণ দিয়ে শব্দ বানাই, গাঁথি কাব্য-মালা, তারই মাঝে সুখ খুঁজি, মেটে মনের জ্বালা। লিখি আমি মনের কথা, ভাবনায় যা আসে, লেখার ব্রত সিদ্ধ করি ভাবনার উচ্ছ্বাসে। ভুল-ভ্রান্তি হচ্ছে তাতে, তবু
আজকের রাতটা কেন জানি লাগছে এতো অন্ধকার, দাদা ভাই তোমার কথা আমার মনে পড়ছে বারবার। তুমি তো শুয়ে আছো মহাসুখে ঐ কবর ঘরে, তোমার স্মৃতি এখনো আমায় কাঁদায় গুমরে গুমরে।
সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে! বেলা যায় মোর কেঁটে। যদিও তুমি হেয়ালি হয়ে, করে যাও হেলা মোরে। সারাদিন শুধু তোমায় ভেবে! আঁকি তব মম মানসপটে। যদিও তুমি বড্ড বেখেয়ালে, রেখে যাও
ভুবন যেন মৃত্যু ক্ষুধার মহাকালের ভোজনালয়, জীবনটাকে খাবার তরে মরণ সদা দাঁড়িয়ে রয়। পথের ধারে রাস্তার মোরে ভিক্ষা করে এক ভিখারি, হাত পেতে সে পয়সা চেয়ে গজল শুনায় শুনায় জারি।