ঐ যে দেখা যায় চাঁদ মামা! বিকিরণ করে সদা নীলাভ 🌒 আলোর রেখা। চাঁদ হাসে!তারা হাসে! রজনী হাসে সাথে সাথে। তার সেই হাসির সমারোহে, ধরার মাঝে পুষ্প ফোঁটে। মাগো যখন
এই নববর্ষের ছোঁয়া যেন সবার মনে লাগে। যেন নববর্ষের নতুন চেতনা মনের মাঝে জাগে। চেতনা অনুযায়ী কর্ম করি ভাগ্য যাবে খুলে। কর্মেই হয় ভাগ্য পরিবর্তন যাইনা যেন ভুলে। নতুন বছরের
বৈশাখ এলে মনের মধ্যে চলে আনন্দের খেলা। গ্রাম গঞ্জে বসে তখন বৈশাখী এক মেলা। শৈশবের যে কত স্মৃতি ঘিরে আছে তাতে। সেই মেলায় যেতাম মোরা সবাই এক সাথে। ঘুড়ি কিনতাম
জীবন একটা কঠিন জিনিস যায় না মুখে বলা, সারা জীবন বইতে হয় শুধু ছলা কলা। কার চেয়ে কে ভালো বোঝা বড় দায়, মানুষের জীবনে ক্ষতি করলে হয় না কোন আয়।
হেসে হেসে মেঘমালা বেড়ায় ভেসে, আলপনা এঁকে এঁকে, ভাসে নীলাকাশে । শুভ্র মেঘ হাসে, কখনো বৃষ্টি আসে, রিমঝিম বরষে, মৃদু-মধুর বাতাসে । মন যেন যেতে চায় কোথায়, অজানা ঠিকানায় !
রাতের আকাশে তারা গুনি গোনা হয় না চাঁদ। চাঁদ নিয়ে ভাবতে ভাবতে কেটে যায় রাত। কী সুন্দর চাঁদের আলো রাতে ছড়িয়ে পড়ে। চাঁদের মত তুমি থাকো এই হৃদয় জুড়ে। তুমি
ফাগুন শেষে শিমুল পলাশ ঝরছে অবহেলায়, প্রকৃতি রানী আজ মেতেছে ঋতু বদলের খেলায় । চৈতী প্রখর তপন তাপে উতলা হাওয়ায়, রঙিন বসন্ত বিদায় মাগে, বৈশাখী আগমনী গায় ।
ঐ আকাশের চাঁদ বলতে আমি তোকেই বুঝি। তাইতো আজও চাঁদের মাঝে আমি তোকে খুঁজি। রাত হলেই তোর দেখা আমি পেতে চাই। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি চাঁদের দিকে তাই। ঠিক যেন
সেদিন কিন্তু এসেছিলে তুমি নীল শাড়িটা পড়ে। কত স্বপ্ন আটকে আছে নীল শাড়িকে ঘিরে। এসেছিলে তুমি পড়ন্ত বিকালে নুপুর পায়ে পড়ে। দেখা হয়েছিল তোমার সাথে ফুলজোর নদীর তীরে। সূর্যটা তখন
হে আল্লাহ” নিশ্চয়ই আমরা আরেকটি little boy , ও Fat-man নামক বোমার আঘাত চাই না, চাইনা এই পৃথিবীতে আবারও হিরোশিমা কিংবা নাগাসাকির মতে বিস্ফোরণ হোক্— “হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই তুমি জাগ্রত,