আবার হয়তো দেখা হবে একদিন তোমার সাথে। সেই ফুলজোর নদীর পাড়ে চন্দ্রিমা এক রাতে। রুপালী চাঁদ চারিদিকে তখন ছড়িয়ে দিবে আলো। রূপালী জ্যোৎস্নায় হারিয়ে যাবে রাতের আঁধার কালো। ঝলমল করে
বসন্তের কন্যা হয়ে তুমি হৃদয়ে বাস করো। বসন্তের এক বাগান যেন হৃদয় মাঝে গড়ো। বসন্তের সেই ফুলের গন্ধে হৃদয় যায় ভোরে। বসন্ত কন্যা হয়ে তুমি থাকো হৃদয় জুড়ে। তুমি থাকলে
আল্লাহ বলেন নূহ (আঃ) কে বুড়ির খবর নিতে। আমি ভুলে প্লাবনের সময় পারিনি খবর দিতে। এমন প্লাবনে বৃদ্ধা বুড়ি মা আর কি বাঁচতে পারে? বুড়ির খবর নিতে নূহ (আঃ) তখন
মনের কথা মনেই ছিল বলা হয়নি তারে। যে কারণে সে কিন্তু আজ অনেক দূরে। সেই কথাটি না বলাতে দূরত্ব গেছে বেড়ে। কেমন করে সেই কথাটি বুঝাবো আমি তারে। না বলা
শরতের ঝরা পাতার মতো বাতাসে উড়তে চাই, মুক্তির আনন্দে ভাসতে চাই, কিন্তু মাটির টানে ফিরে ফিরে আসি, এই বাঁধনের জালে আটকে যাই। বাতাসের সাথে কথা বলি, মনের কথা উড়িয়ে দেই,
মানুষ কীসের পিছনে ছুটে চলে ! কোন উদ্দেশ্যে ! লক্ষ্যহীন নয় তো চলা, কিছু একটা পাওয়ার আশায় মানুষ ছোটে। অর্থ সম্পদ জ্ঞান অর্জনের জন্য ছোটে কিছু মানুষ ছোটে টাকার পিছনে,
রংপুরের শাপলার মোড় বসি ছিনু চিন্তায় বেভোড় হরেক রকম মানুষ দেখে জীবন টাকে আজব লাগে। তুরস্কের কথা মনে পরে হৃদয়ে কান্নার অশ্রু ঝরে তিনটি বাড়ির মালিক ছিল পয়চল্লিশের তানডবে সবে
ফুলে যে সুবাস আছে বোঝেনা তো ফুল। কুল ছাড়া হয়না নদী তবুও নদী ভাঙ্গে কুল। মনের মাঝেও থেকে মানুষ ভেঙ্গে দেয় মন। অথচ এই মনেই বাস করে সে সারাক্ষণ। নদী
ভোটের আমানত শ্রেষ্ঠ সম্পদ জাগো বাংলার প্রতিটি জনপদ, গণভোটে হ্যাঁ চিহ্নে দাও রায় শান্তি ফিরবে দেশের আঙিনায়। গণভোটে হ্যাঁ চিহ্ন করো চয়ন সুখে হাসবে বাংলার প্রতিটি নয়ন, দুর্নীতিবাজদের করো এবার
একুশ তুমি আমার, একুশ তুমি সবার একুশ তুমি আমার বাংলার শ্রেষ্ঠ সম্মান একুশ তুমি ভাষার মর্যাদায় একুশ তুমি জাতির ইতিহাস। একুশ তুমি রক্তের দাগে লেখা বীরের আত্মত্যাগে রক্ত টীকা। একুশ