আল্লাহ তুমি রহমতের দুয়ার খুলে দাও। রমজান মাসের ইবাদত কবুল করে নাও হাত তুলে দোয়া করি আমরা তোমার তরে। আমাদের এই প্রার্থনা দিওনা তুমি ফিরে। তোমার দয়া তোমার করুণা আমরা
মায়ের মাখা দুধ কলা ভাত খেতে বড় মজা, খেয়েছে কত জ্ঞানী গুণী খেয়েছে কত রাজা। যেসব খাবার বানাতো মা সোহাগ মাখা হাতে, খেতে বড় স্বাদ পেতাম আরো চাইতাম পাতে। শীতের
চাঁদের আলোয় ভরা রাত তাকবীরের ধ্বনিতে জাগে মিনার মনের ঘরে নামে রহমতের বারিধারা। মাগরিবের আজানে ফোটে আসমানে কোটি তারা রোজার রঙে রঙিন হয় দিন, কৃচ্ছ সাধন আমাদের, দুয়ার খোলে ক্ষমার
চাঁদ দেখে রোজা রাখব যদি চাঁদ উঠে। পুরো মাস রোজা থাকব যায়না যেন ছুটে। রমজান মাসের পবিত্রতা সবাই রক্ষা করি। মনে মনে নিয়ত করি হৃদয় আঁকড়ে ধরি। নিয়ত খাঁটি হলে
রমাদান রমাদান রমাদান পবিত্র মাহে রমাদান! ঊর্ধ্ব গগন পাড়ি দিয়ে এসে গেলো আমাদের তরে, পবিত্র মাহে রমাদান রহমত মাগফেরাত নাজাত নিয়ে তার আহ্বান। রমাদান দিবে সে অগণিত মানুষকে সত্যের পথে
ইসলাম ধর্মের বসন্ত কাল রমজানকে বলা হয়। এই বসন্ত ছড়িয়ে পড়ে সারা পৃথিবীময়। রমজান নামক ফুলটি যেন সুবাস ছড়িয়ে দেয়। ঈমানদারগণ সেই সুবাস রমজান মাসে পায়। প্রকৃতির বসন্ত স্থান ভেদে
তুমি কি আমার মনের বনের উদাসী বাউল হবে? তুমি কি আমার সন্ধ্যা আকাশের শুক তারা হয়ে রবে? তোমার রাঙা ঠোঁটের মিষ্টি হাসিটিরে দেবে কি ছড়িয়ে আমার আকাশে একটি কবিতা লিখো
বসন্তের ফুল মনে ফুটলে সুবাস ছড়ায় মনে। কোকিল তখন ভাব জমায় সেই মনের সনে। কোকিল ডাকলে গাছের ডালে মনে সাড়া ফেলে। তাইতো বলি কোকিলের ডাকে মনটা কেন দোলে। বনের কোকিল
মুসাফির হয়ে এসেছি মোরা এই পৃথিবীর তরে। একদিন কিন্তু যেতে হবে এই পৃথিবী ছেড়ে। স্ত্রী কন্যা পুত্র সন্তান কেউ যাবেনা সাথে। ধন দৌলতও রেখে যাবে যাবে শূন্য হাতে। দুই দিনের
ভোটের দিন, ১২ই ফেব্রুয়ারি, দেশের মানুষের হাতে ক্ষমতা আজ, দিবে ভোট মনে সাজ, বাজে আশার বীন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায়, বদলে যাবে দেশের ভবিষ্যৎ আশা জাগে প্রেরনায়। ভোটাররা সবাই, ভোট দিতে