কেন আমার এমন লাগে খুঁজে পাইনা মানে। প্রবাস থাকলেও স্মৃতি যেন আজও আমায় টানে। নাড়ীর সাথে সম্পর্ক যার কেমনে ভুলি তাকে। স্মৃতি যেন আজও আমায় হাত ইশারায় ডাকে। শৈশব আর
(১) একদিন সন্ধ্যার আকাশ আমার কাছে এসে বলেছিল, “তুমি কি সত্যিই পথ হারিয়েছ, নাকি শুধু মানচিত্রটা উল্টো ধরে আছ?” (২) আমি মৃদু হেসে বলেছিলাম, “ভালোবাসা এখন জিপিএসে ধরা পড়ে না;
অপেক্ষা কর পৃথিবী! একদিন তোদেরও আসবে এমন দিন! তোরাও হবি অত্যাচারিত, উৎপিড়িত-নিপীড়িত সেদিন। ইতিহাস বলবে তোদের- রাফা,গাঁজা,ইরান ধ্বংসের পরেও কেন ছিলি নিশ্চুপ!? একদিন ইতিহাস বলবে তোদের- অকাতরে প্রাণহারাদের আর্তনাদ শ্রবণ
নিভৃত রাতে প্রকৃতির সাথে সময় কাটে বেশ, কল্প-ডানায় ভর করে যাই চাঁদ-রূপসীর দেশ। স্বপ্ন রঙিন, বাঁধা ভয়হীন, ইচ্ছে মতো আঁকি; বর্ণিল রঙে সাজি নানা ঢঙে, ঘুমকে দিয়ে ফাঁকি। আলোর পরী
চারিদিকে আজি বাজিছে যুদ্ধের দামামা। ছাড়িছে সবে গর্ব ভরে রণ হুঙ্কার। নির্বিচারে মারছে মানুষ ধ্বংস হচ্ছে আশরাফুল মাখলুকাত। ধ্বংস হচ্ছে শান্তির পৃথিবী ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। আজ আমি যার বক্ষে চালাচ্ছি
নিবিড় নিদ্রায় বিভোর আছে মুসলিম জাতি আজ, গাফেলতার সুযোগ নিয়ে তাই বিজাতীরা করে রাজ। আর কতকাল রইবে ঘুমে, পশ্চিমাদের কদম চুমে করবে জীবন পার? রেষারেষি সব দ্বন্দ্ব ভুলে, বজ্রপাতের আওয়াজ
(১) রং মাখবো বলে আজকাল পিচকারি কিনি না আর, বাজারে রঙের চেয়ে দামী এখন দুশ্চিন্তার ভার। তবু ভোরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে সূর্যকে বলি— “একটু হলুদ দেবে?” সে হেসে বলে— “হলুদ তো
চাঁদা নয় এটা সমঝোতা আজ এমন কথা শুনি। মূর্খের মতো কথা বলে তারাও আজ গুণী। চাঁদাকে এখন হালাল করতে সমঝোতা বলে। ফ্যাসিবাদ আর জঙ্গিরা সব চাঁদা নিয়ে চলে। ভিক্ষুকের মতো
পব ১ রিয়া কখনো বলে নি। কখনো বলার সাহস পায় নি। যে মানুষ বুকের মাঝে, যে মানুষ তার স্বপ্নে, রাত্রিদিন ছন্দে গানে। মন কেমন করে সদা যে মানুষটার জন্য, তাকে
এই রুপালী চাঁদ! এই বর্ণালী আলোর বিচ্ছুরণ!! এমন অপ্সরা স্বর্ণালী নিশিথ! ভুলিয়ে দেয় সব কাঁদুনে অতীত। নিশি জাগা ব্যথাতুর পাখিটিও যায় দু:খ ভুলে। ভেসে যায় আনন্দের আতিশয্যতায়। পুলকরাজির বারিষণে ভিজে