(১) যদি আমাকে পুনরায় জন্ম নেবার সুযোগ দেওয়া হয়, তবুই আমি গৌরবের সাথে একজন পুরুষ হয়েই জন্ম নিতে চাই। (২) কারণ পুরুষ হওয়াটা কেবল একটি নাম বা পরিচয় নয়— এ
একমুঠো রোদ্দুর এনেছি তোমার মলিন মুখটা অমলিন করব বলে। কিছু স্বপ্ন এনেছি তোমায় রাঙ্গাবো বলে, কিছু জ্যোৎস্ন্যা এনেছি তোমায় ঘিরে থাকা অমানিশার ঘোর আঁধার দূরীভূত করব বলে। সবুজ দূর্বাঘাসের গালিচা
রক্তের বন্যা বইছে আজ সারা মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতালাভের আধিপত্যের কথিত লোভে, শান্তির বদলে যুদ্ধ করছে ক্ষমতাধর সবে দেশের সবই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে হিংস্র ক্ষোভে। স্বাধীন দেশের স্বাধীনতাও হচ্ছে পরাধীন মধ্যপ্রাচ্যের জাতিগোষ্ঠীর অস্তিত্ব
বদরের বালুকায় জ্বলে ঈমানের জ্যোতি, স্বল্প সেনা তবু বুকে দুর্জয় দৃঢ়প্রতীতি। ত্রিশত ত্রয়োদশ মুমিন দাঁড়ায় হকের তরে, অহংকারী সহস্র শত্রু গর্জে উঠে ঘোরে। রমজানের প্রভাতে ধ্বনিত তাকবীর ধ্বনি, ভীতিহীন বীরেরা
আমার প্রেম শুধু এক ফিসফাস নয়; এ যেন মেঘের হঠাৎ ফোটা বেগুনি আভা— এক উত্তর-আধুনিক স্পন্দন যেখানে নদী মেশে লাল মাটির ঘরে। দেখো, কেমন করে জুঁই পাথর চিরে খোঁজে প্রভাতের
প্রথম আলোর পাতায় ওগো আলোর ফেরিওয়ালা, পহেলা মার্চে বন্ধ হলো তোমার পথ চলা। কতো মানুষ আসবে – যাবে আসবে না আর, পলান সরকার, কে বাসিবে বই কে ভালো কে দিবে
আমার কবিতা, লাঞ্ছিত, দু:খ-বেদনায় জর্জরিত, ব্যথিত মানবের কবিতা। আমার কবিতা, দু:স্থ, নিপীড়িত, অবহেলিত, অপমানিতের কবিতা। আমার কবিতা, অনাহারে, অর্দ্ধাহারে জীবন ব্যতীতকারীর কবিতা। আমার কবিতা, বস্ত্রহীন, আশ্রয়হীন, অসহায়, নি:স্বজনের কবিতা। আমার
ফজরের আযান শুনে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়, জামাতে নামায পড়ে মনে ভীষণ শান্তি পাই। নামায শেষে দুহাত তুলে মহান আল্লাহকে বলি, আমি যেন সকাল সন্ধ্যা সৎ পথেই চলি। দোয়া দরুদ
বর্তমান সমাজে অরাজনৈতিকতা ও দূর্নীতির একটা স্বচ্ছ চিত্র প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে, যে পরিস্থিতি ও নির্মম ঘটনা নিম্ন মধ্যবিত্ত তথা নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষেরা মর্মে মর্মে পলে পলে উপলব্ধি করে যাচ্ছেন ।
আয়াত উল্লাহ্ আল খামিনী এক বীর সৈনিকের নাম, সত্যের পথে লড়ছেন তিনি সারাবিশ্বেই আছে নামধাম। আল খামিনীর নাম শুনিলেই ভয়ে কাঁপতো কাফের দল দেশ বাঁচাতে ঈমান বাঁচাতে কভু হারায়নি তার