অঙ্গনে মোর রঙ্গন ফুল রেঙেছে আজ আবির রঙে, কোন রঙ্গিনির রং হে সখি কার হতে কে আনলো মেঙে। কোন সে কুসুমপুরের থেকে কোন সখাকে আনলো ডেকে, খেললো হোলি সখা সখি
রবি ঠাকুরের কাব্য কথায়– “রাঙিয়ে দিয়ে যাও, যাও গো এবার যাবার আগে—–” বসন্তগীত সতত মন মাতায়, প্রাণ রাঙায় ; মধুঋতু, প্রতিবার তুমি এসে ফিরে যাও ক্ষণকালের তরে, নিভৃতে হৃদয়ে অবিস্মরণীয়
কতদিন দেখিনা মা তোমার মুখখানি কত বুঝাই অবুঝ মনকে বুঝ মানে না জানি। ছোট রেখে চলে গেলে আমায় দিয়ে ফাঁকি দুই চোখ আমি বন্ধ করে তোমার ছবি আঁকি। আমার কি
বসন্ত এলো ফাগুন বনান্তে, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, দোলে কাননে, আবীর, চন্দন ছড়ালো । কোকিলের কুহুতানে, হোরীর গানে গানে, বিশ্বপ্রকৃতিতে দোলা লাগিলো
নির্লজ্জ সরকার, উলঙ্গ প্রশাসন, বিবস্ত্র স্বাধীনতা, নগ্ন সমাজ, বিপন্ন মানবতা ! লজ্জিত বাংলাদেশ ! গর্বিত রাজাকার ! এ কোন্ দেশে বাস আমাদের, এ কেমন স্বাধীনতা ? এরজন্যই কি ত্রিশ লাখ
আজো যেন সব স্বপ্নগুলো, কেমন স্বপ্নই রয়ে গেলো । স্বপ্ন যত, যদি শুধু স্বপ্নই হতো, তবে কি কেউ আর স্বপ্ন দেখতো ? কেউ কি কখনো, দেখতে স্বপ্ন, ভালবাসতো ? জীবন
কত রঙের মানুষ রে ভাই দুনিয়া জোড়া! কেউ চাই কড়ি আর কেউ চাই ক্ষমতা। সাধারণ শিক্ষিতরা করে দাবি তারাই অতি জ্ঞানী, আলেম সমাজ ভাবে তাদের মূর্খ,জ্ঞান পাপী। এই সমাজে আলেমরা
কবি,গবেষক ও বহু ভাষাবিদ মাহমুদুল হাসান নিজামী ভাই। সাহিত্য জগতের প্রিয় অভিভাবক আমাদের মাঝে আর নাই। রংপুরের তারাগঞ্জে তাকে কে আমন্ত্রণ করে নিল। আর কেনই বা তার মরা দেহ রাস্তায়
“আসবে আমাদের শহরে? আমাদের এই শহরের অলিতে গলিতে দীর্ঘশ্বাস জমে থাকে”” কবি অবশ্যই আসবো তোমার শহরে অলিতে-গলিতে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসের গল্প শুনবো, দুঃখের রাত শেষে ভোরের আলোয় তোমার শহরের ব্যথা
দোলের রঙে তুমি আমাকে সাজাতে চেয়েছিলে, কিন্তু আমার হৃদয় ইতিমধ্যেই তোমার অনুরাগে রঙিন। তুমি লাল আনলে— আমি বললাম, প্রেমে তার কোনো অভাব নেই। তুমি সবুজ আনলে— আমি বললাম, আমাদের স্বপ্ন