মাফ করে দাও প্রভু ক্ষমা করে দাও। বান্দা হিসেবে তুমি মোদের কবুল করে নাও। সবাই মিলে দোয়া করি মহান আল্লাহর তরে। আল্লাহ যেন আমাদেরকে দেন ক্ষমা করে। পাপ কাছ থেকে
নীল দিগন্ত রেখার পানে, অস্তমিত হয়েছে শাবানের রাঙা শশী। পশ্চিম দিগন্তে মিলেছে নব চন্দ্রের দর্শন। বিদায় নিয়েছে শাবান,এসেছে রমজান। এসো মুমিন দলে দলে, শুনি আল কোরআনের ঐশী বাণী। সবাই মিলে
ভালবাসা বেঁচে থাকে আশা-ভরসায়। বেঁচে থাকে বিশ্বাসে! বেঁচে থাকে আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে। বেঁচে থাকে একটু সহানুভূতিতে, বেঁচে থাকে অহিংসায়। বেঁচে থাকে অকৃত্রিম-অকৃপন সহমর্মিতায়! বেঁচে থাকে হৃদয়ের সবচাইতে নরম স্থানের সুকোমল পরশে। বেঁচে
আমিই তোমার সেই প্রিয়জন! এখনও রয়েছে যে হাত দুটি বাড়িয়ে!! ফিরে যদিও এলে না আর! উল্টো রথে তোমার যাত্রাও বোধকরি হয়নি মোড়ানো সুখের চাদরে। জানতাম! অনুশোচনা তোমাকে ঠিকই ভোগাবে। তবে,
ফাগুনের মোহনায়, ফুলে ফুলে প্রজাপতি, গাহে নীরব গীতি, সে’ মৌন রাগান্বিত বসন্ত গীত, কেবলই বোধগম্য তার, আছে যার লিখন প্রীতি। নিস্তব্ধে যায় লিখে যে লেখনী, নিভৃতে অনন্ত অমৃত মধুর বাণী,
রমজানের গুরুত্ব ও মহিমা যারা বুঝতে পারে। রমজানে এলে তারা কিন্তু নামাজ রোজা করে। এভাবেই যেন চলতে থাকে সারা বছর ধরে। আল্লাহর ভয় দীলে থাকলে রোজা করতে পারে। এই রোজা
রমজান মাস এলে ঘরে খুশির বন্যা বয়, রোজা রাখবে বলে সবাই অপেক্ষা তে রয়। রোজা রাখে আপন মনে ক্ষমা পাওয়ার জন্য, ঘরে ঘরে কাপড় বিলায় বিলায় আরো অন্ন। যাহার ঘরে
মা হারিয়ে যাওয়ার পরে বোনের কাছে থাকি, বোনের বুকে মাথা রেখে মায়ের কথা ভাবি। মায়ের আদর দিয়ে বুবু রাখছে বুকে মাঝে, চুপিসারে কাঁদে বুবু সকাল-দুপুর-সাঁঝে। বুবুকে বলি, তোমার চোখ হয়েছে
ফিরায়ে দিও না, মুখ ফিরায়ে নিও না, এসেছে বসন্ত ফাগুন অঙ্গন দ্বারে । ফিরায়ে দিও না , বিষাদ ভরে অনাদরে, বরণ করিয়া লও তারে, হৃদয়দ্বার খোলে সগৌরবে ; বসন্তের আগমনে,
আমি প্রথমেই অশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ঐ মহান আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের প্রতি, যিনি সৃষ্টি জগতের মহান স্রষ্টা ও প্রতিপালক। আর পরকালের উত্তম পরিণাম একমাত্র আল্লাহ্ ভীরুদের জন্য এবং পরিপূর্ণ শান্তি