জীবন আলো কিরাত সম্মেলনে, পাক কুরআনের মধুর সুরে শান্তি আনে মনে। বিশাল প্যান্ডেলে সামিয়ানা লাগান, কত কুরআনের পাখি— যেন জান্নাতেরি বাগান। হাফেজ, কারীর মনজুড়ানো সুর, সুরের তালে আকাশ থেকে ঝরছে
নয়নজুলি ৭৯০ নাম্বার স্টলে হয়তো দেখা হবে। “নীল শাড়িতে” বইটা কিনতে আসো যদি তবে। বইটা রোমান্টিকতায় ভরপুর কোন কমতি নাই। জীবনের সেই বাস্তবতায় মিলতে পারে তাই। নীল শাড়িটা পড়েই না
বাগান ভরা ফুল ফুটেছে কে যাবিরে আয়, কি সুন্দর ফুল ফুটেছে কাটানিশার মাদরাসায়। ফুলের সু-বাসে পাগল হইল দেশ-বাসী সবাই, আয়রে বোনেরা দলে দলে মাদরাসাতে যাই। এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক যিনি
যদি ইফতারিকে সামনে নিয়ে কেউ দোয়া করে। আল্লাহ তাআলা দেন তখন রহমত তার তরে। বৃষ্টির মত রহমত তখন মাথার উপর ঝরে। আল্লাহ তখন বান্দার দোয়া নেন কবুল করে। রোজাদারদের আল্লাহ
মা, তোমাকে অনেকদিন হয় দেখি না, শেষ কবে দেখেছি—তাও মনে নেই; তুমি অনেকদিন হয় আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছো। আজ কিছু সত্য কথা বলতে বসেছি— যদিও শুনতে খারাপ মনে হবে;
কুণ্ঠকাকীর্ণ পথের পথিক, দূর্বল এই অদম, কাটা যুক্ত পিচ্ছিল মার্গে ভয়ার্তে দেয় কদম। অগ্রে না জানি প্রগাঢ় কুহর, গভীরতা নেই জানা, ঝঞ্ঝাক্ষুব্ধ ক্ষিপ্র হাওয়ায় বজ্রাগ্নিও দেয় হানা। ভগ্নদশাগ্রস্ত কায়া নিয়ে
আমরা বাঙালি, চিরকাল অবহেলিত, হয়ে এসেছি পদদলিত, বিশ্ব বন্দিত জাতির শ্রেষ্ঠত্ব কর্তৃক নিগৃহীত ; আমরা বাঙালির, স্নেহময়ী বাংলা মায়ের থেকে প্রাপ্ত মাতৃভাষা, সেই বাংলা ভাষা ; যে অধিকার জন্মগত, সে’
আমার কবিতা আসে এক ফোঁটা বৃষ্টিতে, এক টুকরো স্মৃতিতে, একটু ভালোবাসায়, কবিতা আসে নীরবতার মাঝে, কবিতা আসে ভাঙা স্বপ্নের অবশেষে, প্রতিশ্রুতির দেয়াল ভেঙে আমার কবিতা আসে অনুরাগের রঙে রঙিয়ে, কবিতা
বছর ঘুরে এলো রমজান সবার ঘরে ঘরে, সেহেরিতে ডাকতো মা আদর-সোহাগ করে। ওঠো খোকা তাড়াতাড়ি সময় নেই হাতে, দেরি হলে আযান দিবে পাবে না তুমি খেতে। গরম গরম খাবার মা
বীর শহীদের রুধির ঝরানো আমার মাতৃভাষা, স্বর্ণ ঝরুক বঙ্গ জননীর হৃদয় হতে আমার বাংলাভাষার রূপে। ধন্য আমার বাংলা মা, ধন্য আমার ভাষা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে আমার সকল