শহীদের রক্তে ভেজা ফাল্গুনের দিন বাংলার মাটিতে জাগে ভাষার ঋণ সালাম, বরকত, রফিকের স্মৃতি বাঙালির হৃদয়ে চিরন্তন প্রীতি। মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল যারা, তাদের পতন চিরকাল
প্রভু মোদের রোজা গুলো কবুল করে নাও। রোজা রাখার শক্তি তুমি আমাদেরকে দাও। নামাজ পড়বো রোজা করবো সারা মাস ভরে। এমন করেই চলে যেন সারা বছর ধরে। সেহারির বরকতের খাবার
কী আর লিখব বলো আছেই বা কী তার দাম ! মিছে শুধু খেটে মরি রাত-দিন অবিরাম । কতো ভেবে-চিন্তে কুড়িয়ে শব্দ, করি আয়োজন, অযথা সৃজনে প্রয়াস করি বাক্যের অঙ্গন ।
আমার বাংলাভাষা সুপ্রতিম ভৌমিক বীর শহীদের রুধির ঝরানো আমার মাতৃভাষা, স্বর্ণ ঝরুক বঙ্গ জননীর হৃদয় হতে আমার বাংলাভাষার রূপে। ধন্য আমার বাংলা মা, ধন্য আমার ভাষা, এই ভাষাতেই জড়িয়ে আছে
দেশটা আজও বন্দী আছে অসাধুদের কবলে, গরিব-দুঃখির দুর্দশা হয় সিন্ডিকেটের ছোবলে। রমজান এলে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বেড়ে যায়, অমানুষরা ভাবে না, ভাই, গরিব-দুঃখি কেমনে খায়। লেবুর তাপে বাজার গরম, কেনার সাধ্য
অভিভাবক লেখক:রওশন আরা বেগম জন্মদিলে হয় না কেউ স্নেহের পিতা মাতা, তাদের আমি শ্রদ্ধা করিনা শুনতে কথাটি তিতা। দশ মাস দশ দিন রাখল পেটে ধরে, অল্প একটু ভাতের জন্য রাখলো
সেদিনের সেই শ্লোগানে বলেছিলেন রফিক ভাই। উর্দু নয় উর্দু নয় রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। প্রয়োজনে এই ভাষার জন্য আমরা সবাই জীবন দিবো। প্রাণের ভাষা রক্ষা করতে পিছু পা নাহি হবো। বাংলা
একুশ যায় একুশ আসে। ফাগুন হাসে। প্রকৃতি ভাসে নানা বর্নে নানা ছন্দে। বসন্ত বিলাসে চারদিকে কেমন এক মূর্চ্ছনা। মনের মাঝেও জল তরঙ্গ বাজে। গাছের ছায়ায় বসা কিছু মানুষ হয় আনমনা।
রক্তে রাঙানো অমর একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি কখনো তোমাকে ভূলতে পারি ! মায়ের ভাষা রক্ষার্থে তাজা রক্ত দিয়েছি ঢালি অমর গাঁথা আমার একুশে ফেব্রুয়ারী ! শ্রদ্ধা সম্মানের সহিত শহীদদের স্মরণ
অক্ষয়, অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, ভুলিতে কি কখনও পারি ? শহীদ স্মরণে, জানাই তোমাদেরে প্রণাম, দিয়ে গেলে যারা প্রাণ বলিদান, বাংলা ভাষার তরে রাখিতে বঙ্গ জননীর সম্মান । ধন্য মোদের বাংলাভাষা,