(১) তারাভরা আকাশের দিকে চেয়ে একদিন আমি প্রেমের খোঁজে বেরিয়েছিলাম— ভাবছিলাম, কোনো অপ্সরা চাঁদের আলোয়ের সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসবে পৃথিবীতে। (২) কিন্তু বাস্তব— ছিল একেবারেই ভিন্ন। তুমি তখন হাতে মোবাইল
দেখতে দেখতে রহমত বরকত শেষ হয়ে গেল। বাকি দশ দিন নাজাতের তাই শুরু হল। বছরের শ্রেষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ রাত এই দশ দিনে আছে। আর দশ দিনের গুরুত্ব বেশি প্রতিটি রোজাদারের
গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে আমারও ইচ্ছে করে। ছোটবেলার কত স্মৃতি আছে হৃদয় জুড়ে। ঈদের জন্য ভাইয়েরা সব বাড়িতে যখন আসে। ঈদের আনন্দে তখন যেন সারা বাড়ি ভাসে। সবার সাথে ঈদ
তোর মত তুই কাজ করে যা, ভয়-ভীতিহীন ছাড়া। পরের আশা ছেড়ে, রায়হান, নিজের পায়ে দাঁড়া। পাছে লোকে বলবে কথা, কান দিবি না তাতে। সৎপথে তুই চললে পাবি খোদার রহম সাথে।
নাম ছিল তাহার আছিয়া! বেড়াইত হরষে সে খেলিয়া। দর্শিয়া হইল ধর্ষকের লালসা, কোমলমতি শিশু হইল খেলনা। মতি ভ্রম,পথভ্রষ্ট হইয়া করলি তোরা এহেন বর্বরতা। স্বীয় মানসরে করিস জিজ্ঞাসা, ঘটাইলি কেমনে এমন
শীতল হাওয়ার দিনের শেষে, গরম যে ঐ আসছে তেড়ে। শীত গেল কই! শীত গেল কই? গরম হাওয়া ভেংচি কাঁটে। হাসিস না ভাই! হাসিস না ভাই! আসব আবার নতুন রুপে। জড়াব
ক্ষয়িষ্ণু এক কায়া আমার, নাজুক আমার হাল, জরাজীর্ণ শরীর নিয়ে ধরি জীবন নায়ের পাল। মাঝদরিয়ার ভয়াল ঝড়ে মাস্তুল যদি চিঁড়ে, ডুবে যাবে কিস্তি আমার— কেমনে যাবো নীড়ে? নেই তো জানা
নারী, তুমি কে ? নারী, নও তুমি অবলা, সর্ব শক্তিস্বরূপীনি, আদ্যাশক্তি তুমি, সৃষ্টির আদিস্বরূপা, দেবীরূপা দুর্গা, দশপ্রহরণহস্তে দশপ্রহরণধারিনী, অশুভনাশিনী, জগৎকল্যাণকারিনী ! পুরুষ সকাশে প্রকৃতিরূপীনি, সর্বসৃষ্টি অধুরা তোমা বিনা ; বিশ্বব্রহ্মাণ্ড
৮ই মার্চ নারী দিবস হয় দেশে পালন, বিশ্বব্যাপী ন্যায্য অধিকারের হয় যে আন্দোলন। ৩৬ দিনের আন্দোলন তবে সাহসী যতো নারী, ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল রাস্তায় সারি সারি। ৩৯০ জন নারী আহত
জীবন টা জ্যান্ত বটে, তাই তো বেঁচে থাকাই দেখেছো ধুঁকে ধুঁকে মরণের যন্ত্রণা দেখোনি, মঞ্চের নাটকে অভিনয়টা দেখেছো অভিনব জীবনটা বুঝতে কেউ শেখোনি। মন মরা মানুষের ঘাম ঝরা দেখেছো দেখো