(১) কোনো একদিন ফিরে এসো— কোনো নির্দিষ্ট দিন নেই। ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল দাগ দেওয়া কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। যখন মন চায়, তখনই ফিরে এসো। পৃথিবীটা আপন মনে ঘোরে, আমিও ঘুরে বেড়াই—
প্রভু তুমি ক্ষমাশীল ক্ষমা করে দিও। আমাদের নামাজ রোজা কবুল করে নিও। এই রমজানে বড় আশা তোমার ক্ষমা পাবো। তোমার ক্ষমা না পাইলে ধ্বংস হয়ে যাবো। কদর রাতে ইবাদতের তৌফিক
প্রথম যেদিন আমি এসেছি এই ভবে, কেঁয়াছি আমি,হেসেছে সবে। জননী তখন কাতর যন্ত্রণায়, তুমি তটস্থ মোর ভবিষ্যৎ ভাবনায়। মাতা গড়লেন আমার মানসিকতা, তুমি গড়লে মোর দৃঢ় চিত্ততা। অতীব যত্নে আঁকলে
পল্লী গাঁয়ের ছেলে আমি, জন্ম আমার গাঁয়ে, মনের সুখে বাজাই বাঁশি বসে গাছের ছায়ে। গাঁয়ের পথে ঘুরে বেড়াই, করি নানান খেলা, নদীর জলে নাইতে নামি তপ্ত দুপুরবেলা। বিকেল হলে ঘুম
ফাগুন এসে কানে কানে বলে— “এই যে কবি, এত চুপচাপ কেন?” কৃষ্ণচূড়া লাল টিপ পরে হাসে; রাধাচূড়া নরম স্বরে ফিসফিসিয়ে বলে— “আজ কিন্তু প্রেমের দিন।” তুমি যখন রঙ মেখে ডাকলে
রোজার শেষ দশ দিনে বেশি করে দোয়া-দরুদ পড়ি। বিজোড় সংখ্যার রাতে সবাই কদর তালাশ করি। সারা বছরের শ্রেষ্ঠ কিন্তু এই কদরের রাত। যেন পুরো পৃথিবী অন্ধকার মাঝে একটি পূর্ণিমার চাঁদ।
আমাকে তুমি সত্যিই ছেড়ে চলে যেতে চাও? চলে যাও, মূহুর্তের জন্যেও বাঁধা দেবো না। আমাকে বাঁধা দেবেন না কেন? তোমার কেন এর উত্তর দেয়া খুবই কঠিন ব্যাপার। তাই এই মুহূর্তে
পড়তে বসে বইয়ের সনে হাজার কথা কই, আমার মনের হৃদ কাননে পুষ্প হলো বই। এই ভুবনে বই যে আমার বন্ধু পরম মিতা, বইয়ের মাঝেই লুকিয়ে আছে দুঃখ সুখের কথা। বই
( অভাগিনী মা ও দুই ছেলে ছোট্ট ও টুট্টু কে নিয়ে ) ( প্রথম পৃষ্ঠা ) ছোট্ট : মা, মা, আমি স্কুলে যাচ্ছি । (বই খাতা নিয়ে ছোট্ট স্কুলে যেতে
মাগো!জননী আমার! কেমন আছ একলা তুমি অচিন দেশে? এখন কি তোমার অক্ষি-যুগলে ঘুম আসে নেমে তোমার খোকার ঘুম না পাড়িয়ে? আমি তো এখন নির্ঘুম রাত যাপি! তোমার কন্ঠে ঘুম পাড়ানি