আমার আপনার রূপ আমার আমি, আমি’র রঙে রঙিন আমার মায়াবী জীবন দামি। আমার অন্তরলোকে অন্তরঘ্রাণ আমার আমি, বিশ্বাস আমার জীবনসুন্দর এক অন্তর্যামী। আমার জীবনপথ রচিত হয় আমির ভাবনায়, ভালোবাসি আমার
আমি নারী— আমি কারোর অনুগ্রহে পাওয়া ছায়া নই, আমি এক নিজস্ব আলো। আমার শরীর আমার দেশ, সেখানে দখলদারের পতাকা উড়বে না আর। যে ইতিহাস আমাকে নীরব বানাতে চায়, আজ তার
তোমার কথা তুমি রাখোনি, তোমার চলার পথে। বলেছিলে তুমি সারা জীবন, থাকবে আমার সাথে। মুখের কথা হারিয়ে গেছে, সেই অন্ধকারের রাতে। নতুন আলোর পাইনা দিশা, আমার জীবন চলার রথে। তাই
কিছু মানুষ সময়ের স্রোতে চরিত্র হয়ে আসে না। তারা আসে প্রশ্ন হয়ে— নীরব, কিন্তু অস্বস্তিকর প্রশ্ন। সূচী তেমনই এক প্রশ্ন, যার উত্তর সমাজ আজও দিতে শেখেনি। দক্ষিণ কলকাতার আধুনিকতার ভিড়ে
দক্ষিণ আলোতে জন্মেছিল এক প্রশ্ন, নীরব, কিন্তু চিৎকারের মতো কঠিন— সূচী। খবরের ক্যামেরা তার নয়, মানুষের চোখের অন্ধকার তার আলো। রূপপুরের মাটিতে সে দেখেছিল, দারিদ্র্য নয়—এটি একটি নির্মিত স্রোত, যে
তুমি যখন হৈচৈ করো আমি কষ্ট পাই তুমি যখন দূরে থাকো কষ্টের সীমা নাই সীমার ভেতর অসীম তুমি মমতা নিয়ে মায়া চোখের আড়াল হলে তুমি দেখি তোমার ছায়া তোমাকে যখন
হাদি সাহারায় পানি, “হাদি সাহারার উষর বালুতে আবে জমজম পানি! হাদি আজাদির হাসান হোসেন জান্নাতি ফুলদানি। “হাদি ইতিহাস পাখি আবাবিল মুসার হাতের লাঠি! হাদি ওমরের অর্ধজাহান মুড়ানো শীতলপাটি। “হাদি গোলাপের
ফুল তুলিতে যাবে এসো, ফুলের ঐ দেশে। ফুলের মালা গলায় দিয়ে, আনন্দে দেবে হেসে। ফুলের সুবাস ছড়িয়ে দেবে, অনেক ভালোবেসে। ফুলের মতো পাপড়ি মেলে, আসবে ফুলের দেশে। ফুলের সুগন্ধি ঘ্রাণে
আমার দক্ষিণ হাওয়ায়– আনচান করে মন কখন যে দখিনা সমীরণ দোলা দেয় বারবার এই ভুলো মন- তা জানে না , চুল যখন উড়তে দেখি বা- দুপাট্টা উড়তে থাকে মনটাও যদি-
আমার তো কিছু করার নেই তাই, কবিতার ঝুল বারান্দায় পাথর কাটেন গুপি গায়েন বাঘা বায়েন ৷ কী গান শোনাব বলো, আমরা গোচারনে যাব মধ্যাহ্ন বেলায় । · সময়ই বলে দেবে