
আমার তো কিছু করার নেই তাই,
কবিতার ঝুল বারান্দায় পাথর কাটেন গুপি গায়েন বাঘা বায়েন ৷ কী গান শোনাব বলো, আমরা গোচারনে যাব মধ্যাহ্ন বেলায় ।
·
সময়ই বলে দেবে কাজলা দীঘির পাড়ে বসে থাকা খোলাচুল হলুদ শাড়ির জন্ম ভিটায় কল্কে জবার সমারোহ ৷ নিতান্ত ডুব স্নান সেরে ফুল তোলা, দেব-দেবীর চরণ ছোঁয়া ।
·
সে মেয়ে যেদিন সেবাদাসি হলো পুরোহিত ঠাকুর ধানদুর্বা ছুঁয়ে কী আশীর্বাদ করেছিলেন তিনিই জানেন ৷ তবে তাঁর ভোগের থালায় নৈবেদ্য সাজানোয় খুশি আনচান ।
·
মন্দিরে ঘন্টা বাজার শব্দে গোক্ষেত্রের রাখাল কেন কাঁদে সে খবর একমাত্র জানে দাসি থেকে সেবাদাসির মেদুর মন ! দূর থেকে ভেসে আসে পাথর খাদানের খাঁ খাঁ সরগোল ।
·
তোমরা যেদিন তীর্থে যাবে সেবাদাসিও সঙ্গ নেবে আর সঙ্গে যাবে রাখালসখা , বাজাবে ব্রজের বাঁশি হে জীবন, শব নাও – শুধু কেড়ে নিওনা গৈরিক মন, প্রণতঃ শ্রদ্ধাঞ্জলি !
॰॰॰