
শরত,
তুমি আসছো নাকি বর্ষা শেষে ?
প্রাতঃকালে যামিনী নি:শেষে
লাগবে পরশ হিমের,
যখন শরত সমীরণে,
প্রাণে-প্রাণে, ঘাসে-ঘাসে,
আর ঈষৎ সোনালী রোদের
আলো-ছায়ার নীলাকাশে ।
মাঝে মাঝে নীল গগনে
রজত শুভ্র মেঘবালিকা
হেসে-হেসে ভেলায়
ভেসে আপনমনে,
ছুটবে অজানা ঠিকানায়
সুদূর তেপান্তরের দেশে ।
স্বর্নাভ: মিষ্ট রোদ্দুর-এর
আলোর নাচন,
নৃত্যরত থাকবে যখন-তখন
তরুরাজির হরিৎ পত্র সাথে ;
মৃদু পবনের পরশে প্রাতে,
মুক্ত বিহঙ্গ কত
স্নিগ্ধ অম্বর আঁচলে
দু’ডানা দু’পাশে মেলে
উড়ে চলবে যখন অধীর আগ্রহে ,
শিশিরকণা লাগিয়ে দেহে
কলতানে, গানে-গানে সুদূর পানে
এগিয়ে যাবে ভেসে-ভেসে ।
আগমনী সঙ্গীতে আকাশ-বাতাস
হবে মুখরিত ;
হরষিত অন্তরে, প্রাণে-প্রাণে,
বন্দনা-গানে
সুরে-সুরে দোলা দেবে,
আসবে জগত জননী যবে ।