
আমি হাসিতাম,তুমি হাসিতে বলিয়া।
আমি কাঁদিতাম,তুমি কাঁদিতে বলিয়া।
আমি মুঠো মুঠো দুঃখ কুড়াইতাম,তুমি দুঃখিত ছিলে বলিয়া।
আমি সুখ অন্বেষণ করিতাম,তুমি সুখী ছিলে বলিয়া।
অভিমানী নেত্র তোমার অশ্রুসিক্ত হইলে অশ্রুসজল হইত আমারও দুই নয়ন।
অবসাদগ্রস্থ হইলে তুমি ভাল লাগিত না কিছুই আমার।হতাশায় নিমজ্জিত হইলে তুমি চরম হতাশায় ডুবিয়া যাইত আমারও মনন।
ব্যথিত হইলে তুমি,ব্যথিত হইতাম আমিও।
একাকী কভু থাকিলে তুমি,একা হইয়া যাইতাম আমিও।
শিশির ভেজা দূর্বা ঘাসের উপর হাঁটিতে তুমি নগ্ন পায়ে।
আমিও তাই পদযুগলকে নাঙ্গা করিয়া ফেলি সবুজ ঘাস দেখিলে।
পাখির কূজন শুনিতে তুমি বন মাঝে গিয়া কলরব শুনিতে, আমিও ছুটিয়া যাই যথারীতি সেইখানে।
সমুদ্রের তর্জন-গর্জনে ভীষণ ভীত ছিলে বলিয়া আমিও যাইনি কভু সেথা,হাটিনি তাহার কূল ঘেষিয়া।
পুরুষ মানুষের শব্দ করিয়া কাঁদিতে মানা,
অথচ,দুঃখিত হইলে তুমি কাঁদিয়া ওঠ শব্দ করিয়া।
তাইতো,আমিও তোমার মতন কাঁদিয়া উঠি সশব্দে কোন বাঁধা না মানিয়া।
পার্থক্য রহিল শুধু বেলা শেষে তোমার আমার মিলনের;
তুমি এখন গাহিয়া উঠ জীবনের জয়গান,
আর আমি এখন গাহি,বাজাই শুধু বেদনার ঝংকার!!!