সবুজ পতাকা হাতে বিজয়ীর বেশে, ছুটে চলে শিশু যুবা বীরবৎ হেসে। দেশ মাটি মানুষের মুক্তির আলো, উল্লাসে সোল্লাসে মন মাতে ভালো। আঁধারের মলিনতা পীড়া দিল বহু, মাঠ ঘাট প্রান্তরে ভেসেছিল
নন্দিনী,কোন যুগের কোন শেকড় থেকে অলকানন্দাদের হৃদয় বিচরন করে, নারী তুমি, পুষ্প পরশ সুগন্ধি ছড়িয়ে কত শত যুগ পার্ল-প্রবাল মাড়িয়ে উঠে এলে, আজিকার রৌদ্র দগ্ধ পদ্ম কমলের
কতো ভালোবাসার রিয়েক্ট আসে তোর রিয়েক্ট পাইনা , আমি সখী আগের মতো তোর ওয়ালে যাইনা । যেদিন তুই আমার থেকে হৃদয় করলি ছিন্ন, সেদিন থেকেই মানুষটা আমি হয়ে গেছি ভিন্ন
রঘুর দাদুর ছিল নাকি মস্ত জমিদারি, ঘরের বাইরে পা রাখলেই ডাকতো ঘোড়ার গাড়ি। জমিদারি লুপ্ত আজি নাইকো অবশেষ, রঘুর রক্তে আজো তার রয়ে গেছে রেশ। জমিদারের পোশাক পড়ে আজো পথে
, তুমি প্রেমিক মনে চেতনার আলো জ্বালিয়ে দাও অপরূপ কারুকাজে আকৃষ্ট করে কেউ নয় সমতুল্য তোমার নকশাতে সকল ধারাপাত মুছিয়ে নতুন ধারা সৃষ্টিতে আলোরন হয় জগত মাটি সংসারে অশান্তি দূর
মনের ঘরে চাঁদ দেখি ওই, গভীর প্রেমের জলে। শুকনো পাতার নূপুর বাজে, আমার হৃদয় তলে। ওগো মোর রুপের আঁখি, কথা বলো কিছু মুখে। মনের দরজা খোলা রেখে, তুমি কাঁদছো কেন
তোমার শুন্যতা মোদের হৃদয় বীণার তারে বাজে আজ হা-হাকার সুরে। বয়ে যাবো এ যন্ত্রণা চির কাল ভবে। আর কোন দিন হবে না দেখা তোমার সনে। তুমি দিয়ে ছিলে ভালোবাসা বুক
সেই কবে চলে গেছো কতো ক্রোশ দূরে, সেই থেকে গাহি গান আমি সকরুণ সুরে। শুনিলে না গান মোর কিবা ছিল অপরাধ, তুমি শুধু শুনে যাও এইটুকুই ছিল সাধ। তবে কেন
একদিন – শেষ গন্তব্যের ডাকে – সব লেনাদেনা মিটে যায় -, ইচ্ছা – অনিচ্ছার ঘটে যবনিকা – সহস্র দর্শক, শ্রোতা আর কাছের মানুষ গুলোও- ফিরে যায় আপন আপন গন্তব্যে –,
কালো ডাগর হরিণ চোখে চেয়ে কেনো থাকো, অনুমতি ছাড়া তুমি কেনো আমার ছবি আঁকো। রঙিন স্বপ্ন দেখে তোমার মন করো নরম, মনে রেখো আমার কিন্তু মেজর অতি গরম। হরিণ চোখ