নিত্য নিয়ম রুটিন বাঁধ ভেঙ্গে এই যাযাবর মনটা আমার, যখন তখন করে আনচান এক পলক তোমাকে দেখার। কিসের কাজ কর্ম নাওয়া খাওয়া সব যেন অদ্ভুত এলোপাথাড়ি, বন্ধু বান্ধব নিত্য আড্ডা
যদি আমার হও সাজাব তোমায় ঠিক আমার মনের মত করে। হৃদয়ের সমস্ত আবেগ মাধুরী দিয়ে। ম্যাকাপ দেব চাঁদের জোসনা থেকে। লিপস্টিক দেব রংধনুর রং থেকে। নীলপালিশ দেব আবের ভাজ হতে
কিবা বাঁধনে বেঁধেছো তুমি যে আমায় বিনা তারে নাকি সেই প্রেমের সুতায় কিছুতে তোমাকে আর ভুলা নাহি যায় বন্দী হয়ে আছি তাই তোমার মায়ায়। মায়া ভরা আঁখি দুটি টিপ আঁকা
ধরাকে তোমার সওয়ারী বানাও লাগাম রেখ হাতে, তোমার পিঠে হলে সে সওয়ার খাটাবে দিনে রাতে। কামনা বাসনা দুই বোন যদি তোমার ঘাড়ে চাপে, মিথ্যা তোমাকে বলতেই হবে কম দিতে হবে
বিদেশ থেকে নিজের দেশে- কেউ করলে পদার্পণ, চিত্তে আসে খুশির জোয়ার- দেখে এলাকা স্বজন। তাহার আসায় অধিক খুশি- নিজের আপন জন, অসম্ভব এক ভালো লাগায়- মনে জাগে শিহরণ। দীর্ঘ দিন
যে জাতি তার ঐতিহ্য ভুলে যায় ভুলে যায় তার অম্লান কৃষ্টি, তারাই তো মানেনা অমর সৃষ্টি। ইতিহাস বুকে বাঙলার যত খ্যাতি জ্বালিয়েছিল যুগে যুগে জ্যোতি যারা ভুললে শহীদের ত্যাগ খ্যাতি!
স্কুল ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে আদরের বাবু টি দৌড়ে এসে- আমার গলা জড়িয়ে ধরে বলল- “বাবা, আমার টিফিনের টাকা?” নির্বাক আমি, পকেটে টাকা নেই- চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পরছে আমার, দূফোটা
সমাজের চোখ সম্পুর্ন বন্ধ সর্বত্র গেছে মরে বিবেক! চোখ থাকতে মনুষত্ব অন্ধ, প্রতিবাদী কন্ঠস্বর স্তব্ধ ধ্বনি বন্ধ। মুখ থাকতে বধির মোরা, জাগোরে জোয়ান জাগরে তোরা । বাঁচাতে হবে মোদের ঘুণ
রক্তে যখন আগুন জ্বলে কিভাবে ঘুমাই অন্যায়ের ঐ মসনদটা ভাঙতে হবে তাই, ক্ষুধার অন্ন না বিলিয়ে বিলায় যারা ভয় তাদের সাথে আপোস?মৃত্যুর কম নয়। নীরব থেকে সহ্য করা পাপের ভাগীদারি
সেবিকার যত্নেরয় অমরত্ব মহা অনুভাবের উদার প্রেম- ভালোবাসা দেয় উজার করে। জীবের জীবন সেবাদানে, অসুস্থ দেহে,দূরারোগ্য মুক্তিতে। দেয় শ্রম দিনরাত ভরে, শত আহাজারি চিৎকারে, কাঁদে হৃদয়, সেবিকার মন। বেদনা ভরা