কবিতা নেবে – কবিতা ? আমি যেন শহরের মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ক্লান্ত ফেরিওয়ালা, চোখ ভর্তি শব্দ, বুক ভর্তি স্বপ্ন, আর হৃদয় ভর্তি নিঃশব্দ আলো নিয়ে ডাকি তোমাদের- এসো, কবিতা
ফুলের ডালে হাসো নাকি ভাঙা মনে চুপি সারে ভাসো, পলাশে তোমার রক্তিম ছোঁয়া শিমুলে আগুন, কৃষ্ণচুড়ায় কথা,প্রকৃতিতে ফাগুন। নাকি তুমি সেই নীরব অপেক্ষা, যে বসে থাকে হারানো প্রহরে? নাকি নোটিফিকেশনের
কোথায় পেয়েছো আবর্জনা, কুড়িয়ে নিলে ঘরে? কখনো পারবে না যেতেই, এগিয়ে হাত দুটি ধরে। আবর্জনা ডাষ্ট বিনে থাকে, তবু তুলে নিলে হাতে। আবর্জনা ধুইতে গেলেও, হ্যান্ড ওয়াশ নিবে সাথে। অধমের
বিদেশি প্রভুর হাসি মসৃণ, কিন্তু তার দাঁতে রক্তের দাগ, সে উন্নয়নের নাম করে আসে, আর গোপনে মাপতে থাকে আমাদের কবরের
সব কিছু আগের মতোই থাকে– শুধু বদলে যায় কিছু মানুষ, পরিচিত মুখ গুলো ও দুরের মনে হয়, এক সময় মনে হতো, সব মিলিয়ে জীবন বুঝি সম্পূর্ণ কিন্তু না— কোথাও যেন
সোনার বাংলার সূর্য সন্তানেরা, প্রতিবাদ করতে ভুল করে না। সোনার বাংলার সূর্য সন্তানেরা, জীবন দিতে রাজি তবুও মাথা নত করে না। সোনার বাংলার সূর্য সন্তানেরা, ৪৭,৫২,৬৬,৬৯,৭১,৯০,সর্বশেষ ২০২৪ সালে বুকের রক্ত
এ বছরে যা পেয়েছি তার হিসাব সব কিছু রেখেছি মনে খুশির সঙ্গে অনেক কষ্টও ছিলো মেহনত ছিলো অর্জনে। পুরোনো যা কিছু পিছনে ফেলে আগামীকে করি বরণ এই বছর যেন সব
তোমার ছবি, বলছে কথা আমায় দেখে দেখে বলছে দেখো, হেসে হেসে “থেকো তুমি সুখে” ।। দিনের বেলায়, হাজার কথা স্বপ্ন দেখায় রাতে প্রাণের সে টান, অনুরাগে চায় যে কাছে পেতে
মূর্খের শাসনে জিম্মি দেশগুলো, গোলাবারুদ ছাড়াই রক্ত ঝরে। শাসকের রোষে নিরুপায় মানুষ, পাতি নেতার কণ্ঠে জয়ের উন্মাদনা। অশ্রাব্য বাক্য লাঠি- তাদের অস্ত্র, সভ্যতার ভাষা হয় নির্বাক ফাঁকা। মোড়ে মোড়ে আঁকে
কারো প্রতি নেই যে অভিযোগ যারে আমি বাসতে গেছি ভালো সেই তো শুধু নিয়েছে সুযোগ। যারে যত করতে গেছি আপন সেই ততো হয়েছে দুঃখের কারণ, যার জন্য কাটবে জীবন বেলা