দায় এড়িয়ে চলা মানে কবি নয় ! দায় এড়িয়ে চলা মানে সাহিত্য নয় ! দায় বদ্ধতার মাঝেই কবি সাহিত্যের সৃষ্টি হয় , দায় বদ্ধতার মাঝেই আঁধার আলোকিত হয় । দায়িত্বজ্ঞানহীন
হে কবি! হে লেখক! তোমার লেখণীতে বিদ্রোহ ফুটে উঠুক। যে হাতে ধরনি কখনও বিদ্রোহের কলম সে’হাতে পাপের হোক জনমের পরাজয়, পাপিষ্ঠের সিংহদ্বারে বিদ্রোহ করুক গমন চারিদিকে ধ্বনিত হোক সত্যের মহা
যাদের হাতে সম্পদের পাহাড়, তাদের মন তবু ভরে না— চাওয়ার তালিকা আকাশ ছোঁয়, তৃপ্তি আসে না হৃদয়ছোঁয়া। আর যাদের জীবন চলে অভাব বেয়ে, তাদের অল্পেই বাঁচতে হয়, কারণ বেশি আশা
“শত নদী বয়ে চলে আমার দেশের বুকে পদ্মা মেঘনা যমুনা তারি প্রমাণ রাখে” জম্ম আমার এই দেশে তে পল্লী মায়ের কোলে আমার দেশের উর্বর ভুমি সোনার ফসল ফলে (২) শত
অতীতের যত আছে গ্লানি- ছিলো যত জীবনের আধার কালো! ঢেকে ছিলো মনের কুয়াশার ভোর আশা রাখো,কেটে যাবে সব আগামীর সূর্যে! উঠিবে বেলা, মন সূর্য্যমূখী ফুলে আসিবে ভ্রমর, ফুটিবে স্বপ্নগুলো, দাঁড়াবে
একজন গীতিকার বুকে নিয়ে হাহাকার, প্রতি নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে একাকার। একজন সুরকার শিল্পীর কারুকার, বড়াই প্রেমিকার বীরত্বে ধিক্কার। প্রতিটি বিশ্বাসে ছোঁয়ায় প্রেমিকার একজন গীতিকার একজন সুরকার। একটু বেঁচে থাকার দাবিদারে অধিকার,
ঐ যে দূরে মিটিমিটি জ্বলে জোনাকির আলো, পথ চলা তো ভীষণ দায় রাতের আঁধার ঘন কালো। থেকে থেকে আসে শেয়ালের সেই ডাক, ঘরের কোনে পুকুরে
পৌষে ঠুসি আম পল্লবে, কাঁঠাল মুছি কান্ডে, ক্ষিতি তেজ অৰ মরুৎ ব্যোম, আছে শরীর ভান্ডে | পঞ্চ ইন্দ্রীয় ষড় রীপুর বসত্ ভুমি দেহ, প্রাণ পাখিটা উড়াল দিলে থাকবেনা’ক কেহ ৷
যেখানে কাঁচের জানালায় রোজ রোদের কণা নাচতো, সেখানে আজ কার্বন-কালো বিষাদের আনাগোনা। নিটোল সুখের নীড় ছিল এক জলরঙের ক্যানভাস, অথচ অলক্ষ্যে বেড়ে ওঠাল এক চোরাবালি আগ্নেয়গিরি — নিমিষেই গ্রাস করল
সুতোর ডোরের মত জড়িয়ে আছে আমাদের দুজনের মধ্যেকার সম্পর্ক অথচ সেদিন আমরা তো ছিলাম কোনদিন কাছাকাছি, পাশাপাশি দুটি নিঃশ্বাসের মধ্যে বিলয় হয়ে। আমাদের আত্মার আত্মীয়তা কোন অপরাধ বোধে নয় ফুলের