
বিরঙ্গনাকে পতিতার সাথে তুলনা
এ কোন নরপশুদের অশিক্ষার রটনা।
হায়রে জীবনের পরাজয়
চেয়ে চেয়ে দেখতে হয়
নরপশুদের বানানো কালো অধ্যায়।
ধর্মকে পুঁজি করে দেশটা ধ্বংস করছে
কোথাও কি লেখা আছে!
বিরঙ্গনাদের অপমান তুলে দাও তাদের কাঁধে।
বিরঙ্গনা সখিনারা ছিল কামনার সামগ্রী,
লোলুপ দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়েছে তাদের দিকে পাক হানাদার বাহিনী।
দেশের মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ,
১৯৭১ সালে এদেশের মা, বোন, মেয়ে, ঘরের বৌ ধর্ষিত হয়
পাক হানাদারদের কাছে।
আর এখন বিরঙ্গনাদের সাথে পতিতার তুলনা করে।
এরা কোন দিক থেকে মেধাবীর পরিচয় দেয়!
কোন দিক থেকে এরা নিজেদের দেশ প্রেমিক ভাবে!
কোন দিক থেকে এরা ধর্মকে অপমান করে!
ধিক্কার জানাই যারা বিরাঙ্গনা আর পতিতার পার্থক্য বুঝেনা
এরা কখনো বাংলার নাগরিক হতে পারে না।
বিরাঙ্গনা যারা তারা পাকিস্তানের পাকহানাদের কামনার শিকার।
আর যারা পতিতা তারা নিজ ইচ্ছায় দেহ ব্যবসা করে অবলিলায়।
এই দুইটা জিনিস কি এক হলো!!
ধিক্কার জানাই ঐ নরপিচাশদের
যাদের শিক্ষা ও দায়িত্বের নেই কোন দায়।
কিছু বিরাঙ্গনা তার স্বামীকে হারিয়ে,বিধবা হয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
কিছু বিরাঙ্গনা সন্তানের অপেক্ষায়
আজ ও বসে কাঁদে ঘরের দরজায়।
অযোগ্য ব্যক্তি হয়েছে বাদশা
যোগ্য ব্যক্তি হয়েছে নর্দমার ময়লা।
সত্যি কি নেমে আসছে পড়ন্ত বেলা
হাট বসিবে বেগুন গাছের তলা।
অবুঝদের কথা মানতে হচ্ছে
এই অপমান আর পারছিনা মানতে।