একটি বড় রাক্ষুসে মাছের নাম কিন্তু গজাড়, অবশ্য উত্তরাঞ্চল থেকে হয়েছে উজাড়। সিলেট অঞ্চলে এখনো ভালো দেখা মেলে, সকল মাজারের পুকুরে বেড়ায় হেসেখেলে। আমরা যদি সবাই মিলে করি খেয়াল, আরেকটি
শৈত্য তুমি যাও সূর্যকে উঠতে দাও । হাড় কাঁপানো শীত গায় না পাখি গীত। দেয়নি কেউ রসের হাঁড়ি সবার সাথে রইলো আড়ি। উঁচুতলার জানালা বন্ধ নাই এদের ক্ষুধার দ্বন্দ্ব। জেলে
ভাটির গানে হওকি উতলা! ভাল লাগেকি শিউলি ফোটা দিন মন চায় ফিরে যাই সেইসে আগের দিন। কদম কেয়ার সুবাসে হও মাতোয়ারা চাঁপা চামেলির প্রতি আছে অনুরাগ? শরতের কাশ ফুল মন
আলপনা দিয়ে সাজিয়েছে ঘর শাল পলাশের বন বিথিকায় আবছা আলোর উদাসি বাতাসে মনের মাধুরীতে স্বপ্ন সাজায়। বনের পথে পথে হাজারো কবিতা ফিসফিস করে নির্জনে কতো কাছে ও দূরে ছন্দে সুরে
, তুমি প্রেমিক মনে চেতনার আলো জ্বালিয়ে দাও অপরূপ কারুকাজে আকৃষ্ট করে কেউ নয় সমতুল্য তোমার নকশাতে সকল ধারাপাত মুছিয়ে নতুন ধারা সৃষ্টিতে আলোরন হয় জগত মাটি সংসারে অশান্তি দূর
বিরঙ্গনাকে পতিতার সাথে তুলনা এ কোন নরপশুদের অশিক্ষার রটনা। হায়রে জীবনের পরাজয় চেয়ে চেয়ে দেখতে হয় নরপশুদের বানানো কালো অধ্যায়। ধর্মকে পুঁজি করে দেশটা ধ্বংস করছে কোথাও কি লেখা আছে!
এই পৃথিবীতে আমরা কেন এসেছি— শুধু জন্ম আর মৃত্যুর মাঝখানে কয়েকটি বছর ব্যয় করতে? নাকি সময়ের ভিড়ে নিজের অর্থ খুঁজে পেতে? আমাদের আসার আগে পৃথিবী চলছিল নিজের নিয়মে, আমরা চলে
পড়ছে এখন প্রচন্ড শীত কাপ্তাই এলাকায় , জীবন চলছে কুয়াশাময় কণকণে ঠান্ডায় । সূর্য্যি মামা জাগেনি আজ তাইতো শীতে কষ্ট , এমন দিনে পাহাড়-পল্লীর শিশু-বৃদ্ধ সব রুষ্ট । ভোর সকালে
জহরব্রতে রাজপুত নারীর ইতিহাসে জ্বলছে আগুন! আজও নারীর শরীর পোড়ে পুরুষ দেহে জাগলে ফাগুন! সংস্কারের দোহাই মেনে রদ ছিল প্রায় কয়েক শতক, আগুন কিন্তু সহজে নিভেনা নারীকে আজও পোড়ায় ঘাতক!
শীতের কুয়াশা ঘেরা বিবর্ণ প্ল্যাটফর্মের মতো তোমার আমার বিশাল ব্যবধানেও স্মৃতিগুলো যেন রাতজাগা পাখি। পুরনো দিনের খামের মতো পড়ে আছি ট্রেনের শব্দ শুনি অথচ গন্তব্য দিশাহীন। শরতের মেঘের মতো অবাধ্য