
একটি বড় রাক্ষুসে মাছের নাম কিন্তু গজাড়,
অবশ্য উত্তরাঞ্চল থেকে হয়েছে উজাড়।
সিলেট অঞ্চলে এখনো ভালো দেখা মেলে,
সকল মাজারের পুকুরে বেড়ায় হেসেখেলে।
আমরা যদি সবাই মিলে করি খেয়াল,
আরেকটি রাক্ষুসে মাছ আছে নাম জানি বোয়াল।
সব সময় যে মাছের মুখে শুনি খাই খাই বোল,,
সবাই আমরা কিন্তু তাকে চিনি নাম তার শৌল।
আফ্রিকা থেকে আগত নাম আর্ফিকান মাগুর,
সামনে কিছু দেখলেই সে করে ফেলে ভাঙ্গচুর।
মনে একদিন ইচ্ছা জাগলো দিব একটা সিটিং,
অর্থাৎ সবাইকে নিয়ে করবো একটা মিটিং।
মিটিং এ বললাম জানি তোমাদের নাই মায়া,
স্বজাতি মাছকে কেন খাও না করে মায়া?
দলনেতা বোয়াল মাছ গেল সামান্য ক্ষেপে,
বললো আমায় দয়া করে কথা বলো মেপে।
মোরা একটু দোষ করি শুধু জীবন বাঁচাতে,
তোমরা যত অকর্ম করো জীবন সাজাতে।
মানুষ কিন্তু হয়েছে আজ পশুপথের যাত্রী,
তোমাদের লালসার স্বীকার হয় স্কুলের ছাত্রী।
নিজের আছে বাসভবন মাকে রাখ গোয়ালে,
নিশিরাতে কামড়িয়ে মারে বনের শিয়ালে।
নিজের মেয়ের হাতেও খুন হয় দেখি বাবা-মা,
সৃষ্টির সেরা মানুষ তোমরা করো খা খা।
বড় ভাইকে করে খুন আপন ছোট ভাই,
বড় ভাইও কম নয় মাঝে মাঝে শুনতে পাই।
পিতা-মাতা মানুষ করে দিয়ে অনেক শ্রম,
শেষ বেলায় মায়ের ঠাঁই হয় দেখি বৃদ্ধাশ্রম।
ব্যাংক থেকে কোটি কোটি টাকা করো লুটপাট
নিজেরা আগে ঠিক হও,পরে দেখ মোদের ঘাট(দোষ)।
এ সকল কথা শুনার পর বললাম থাক না হয় আজ,
আমি তো অধম কবি বাদ পড়েছে লেখার কাজ।
“ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি “ধরবো না কারোদোষ,
সত্যিই মানুষ বেশি দোষি করতে হয় আপসোস।