বন্ধুরা তোমরা নিশ্চয়ই জানো পৌষের এই কনকনে শীতে মাঝরাত থেকে টিপ টিপ কুয়াশা ঝরছিলো ১১ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমেছে বৈরী ঠান্ডা হাওয়া মনটা যেনো পথশিশুদের জন্য গুমরে কেঁদেছিলো। পথশিশুরা এমন শীতে
হাঁটছি রাস্তার ধুলোয়, হাতের খালি ব্যাগে কিছু নেই। পাখি উড়ছে উপরে, তারা বলছে- “ভয় নেই, জড়ো হও।” চোখে আকাশ, মনে ঝড়, শব্দগুলো কানে ঢোকে না- তবু আমরা এগিয়ে চলি, যেখানে
মা যুদ্ধে যাবো দেশ স্বাধীন করেই তবে ফিরবো শহীদ না হয় হবো? শত্রুসেনার হাতে দেশ দিবো? এমন জীবন রেখে কি বা করবো? যদিও আমি অনেক ছোট।। শত্রুসেনার অত্যাচার দেখে ইচ্ছে
হিম শীতের মাঝে বইছে হার কাপানো কনকনে ঠান্ডা হাওয়া, মাঠ-ঘাট আর খাল-বিল ঢেকে আছে কুয়াশার ঐ চাদরে। দলবেঁধে উড়ে বেরায় সাদা সাদা বক সাদা ঘন কুয়াশায়, প্রকৃতি প্রতিটা ঋতু বরণ
নীল আকাশ ওই দূর দেশ, শোভা পায় তোমার ওই কেশ। তুমি হাসো খুব মিষ্টি করে, মন মাতে তাই শুধু ভরে। চোখে থাকে ওই মায়ার টান, তুমি মোর প্রিয় প্রিয় গান।
হৃদয়ের মন্দিরে ভালবাসি,জাগিয়া উঠে লিলা, মনের হিয়ায় তুমি আছো, স্বপ্ন আমারে দিলা প্রেম গভিরতা,আকরে ফেলেছো মায়ার জালে, ভালবাসায় সিক্ত রাখিও তোমার অন্তরালে। ভালে ভুলে থাকিনি কখনো,আছি তোমার তরে, হাজার ফুলের
মরিচীকার ছায়াপথে গোধূলির গ্লোবালে কিংবদন্তি বাসন্তী রথে সন্ধিক্ষণ সুরভীর বর্ণিলে। ধুমকেতুর উল্কাপিণ্ডে অহমিকায় ধোঁয়াশা ভস্মের কুর্নিশ অখণ্ডে চিরন্তন চিরকাল পূর্বাশা। শুষ্ক বালুচর ভিন্যতা খেলাঘর ভুয়া জুয়া অবিকল ফাঁকা শূন্যতা স্মরণীয়
“আজ ভাষা দিবস,, “রেহা, আজ ভাষা দিবস অভিমানি তুমি আজ অভিমান করোনা রেহা। আমি একটি গোলাপ দেব! তুমাকে তুমি নেবে? স্বচ্ছ এক রক্ত মাখা লাল গোলাপ, রেখিছি আমি হিরো নিজেই
তুমি যেমন বদলে গেছ, বদলে গেছি আমিও; স্মৃতিগুলো মনে হলে সাগর জলে ভাসিও! ভুল ছিলনা আমার কোনো বুঝলে তবু ভুল, বদলে গেল মনটা তোমার ; হয়ে গেলে প্রতিকূল! তোমার বাঁকা
সাগর ডাকে, নদী বাঁকে রাত মায়া আঁকে জোনাকিরা পথের ধারে গাছের ফাঁকে ফাঁকে। সোনালী ধানে উঠোন ভরে রুপালী মাছ জলে, হাজার রঙের প্রজাপতি উড়ে বনের ফুলে। শিস দিয়ে ভোর আনে