
প্রতিটি ইউনিয়নে ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও তা উপেক্ষা করে নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নে একটি ছোট ওয়াক্তিয়া মসজিদকে সরকারি সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে বড় ও ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ নির্বাচন করে ইমাম-মুয়াজ্জিন ভাতা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং মডেল মসজিদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অধিক সংখ্যক মুসল্লির জন্য উপযোগী কেন্দ্রীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা।নকিন্তু গোড়গ্রাম ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত ও বৃহৎ জামে মসজিদগুলো থাকা সত্ত্বেও ‘জমিরপাড়া ওয়াক্তিয়া মসজিদ’ নামের একটি ছোট মসজিদকে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বলেন, নির্বাচিত মসজিদটি আয়তনে ছোট এবং সেখানে বড় জামাত আয়োজনের মতো পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। ইউনিয়নের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদগুলোকে উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ পরিপন্থী। এতে করে ইউনিয়নের বৃহত্তর মুসল্লি ও সাধারণ জনগণ সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অর্ধ শতাধিক মানুষের স্বাক্ষর করা একটি গণস্বাক্ষরও জমা দিয়েছেন। তারা সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বড় ও ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদকে সরকারি সুবিধার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য মসজিদকে নির্বাচিত করবে।