
নীলফামারী প্রতিনিধি:”মানবিকতা সবার আগে আর মনুষ্যত্বতায় মানুষের ভালো বাসা আসে ” তার বাস্তব প্রমাণ হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল ঢাকা কলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি,ঢাকা মহানগর ও ঢাকা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান এর হাতে গড়া আশির দশকের সর্ব অনিয়মের বিরুদ্ধে আপোষহীন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা কাবেরুল ইসলাম লিটন।কাবেরুল ইসলাম এর নির্দেশে ও তার নিজ অর্থায়নে ২০২৬ সালের পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ৩০ দিন বিভিন্ন মাদ্রাসা ও মসজিদে সেহেরী,ইফতার ও রাতের খাবার এর ব্যবস্থা করেছেন তার কর্মীরা।
আজ ১০ই মার্চ এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পবিত্র মাহে রমজানে মাগফিরাত এর শেষ রমজানে বড়াইবাড়ি হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ছাত্র – শিক্ষক মিলে ৩৪৪ জন রোজাদারকে সেহরি ইফতার খাওয়ায় এবং রাতে তাদের খাওয়া ও সেহেরীর জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করেন কাবেরুল ইসলাম লিটন এর নির্দেশনায় তার কর্মীরা।এ বিষয়টি Daily World ও Daily Human Rights পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক লেখক ইমরান খান কে নিজেই জানান কাবেরুল ইসলাম লিটন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, কাবেরুল ইসলাম লিটন শুধু একজন বিএনপির যোগ্য নেতাই নন।তিনি একজন জনবান্ধব মানবিক মানুষ। তার রক্তে মিশে আছে মানবতার ছোঁয়া এজন্য কাবেরুল ইসলাম লিটনকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন মানবতার যুব রাজ।
কাবেরুল ইসলাম লিটন জানান,আমি যত দিন আছি জনগণের কল্যাণে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে যাবো।তিনি জানান আমি ক্ষমতা বা আধিপত্য চাই না আমি চাই জনগণের ভালো বাসা। আর যত দিন বেঁচে থাকবো এভাবে জনকল্যাণে কাজ করে যাবো।
তার এ কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন নীলফামারীর জেলার সর্ব স্তরের মানুষ। তারা বলেন, কাবেরুল ইসলাম লিটন একজন মানবিক মানুষ।তিনি তার প্রতিষ্ঠিত মাহাবুবা মেমোরিয়াল জেনারেল হাসপাতালের সাহায্যে হাজারো অসহায় মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিয়মিত দিয়ে যাচ্ছে।সেই সাথে তিনি হলেন The MKI Group এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। জনগনের কল্যাণের দিক দিয়ে বলতে গেলে কাবেরুল ইসলাম লিটন এর তুলনা শুধু তিনি নিজেই।
সর্বশেষে জানা যায়,কাবেরুল ইসলাম লিটন শুধু এ রমজানে নয় প্রতিটি রমজানে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করে থাকে সেই সাথে ধর্মীয় কাজে যতটুকু পারে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।নীলফামারীর কৃতি সন্তান হিসেবে মানুষের মুখে মুখে তার নাম থাকাটা স্বাভাবিক বলে জানান অনেকে।