
দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উন্নয়ন, সুশাসন ও মানবিক প্রশাসনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে নীলফামারী আজ শুধু একটি প্রশাসনিক জেলা নয়, বরং উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনসেবার একটি কার্যকর মডেলে পরিণত হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এই তিন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসনকে গতিশীল করে তুলেছেন তিনি। নীলফামারী ও সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, ফুটপাত ও চরাঞ্চলে বসবাসরত হতদরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় পরিবারকে সহায়তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরেজমিন তদারকি তাঁর মানবিক নেতৃত্বের বাস্তব উদাহরণ। একই সঙ্গে তিনি জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। সড়ক সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি, সরকারি জমি রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, সরকারি দপ্তরের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং নাগরিক সেবা সহজীকরণে তিনি কার্যকর ভূমিকা পালন করছেন। জরুরি অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে সাধারণ মানুষের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকেও মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জনগণের খুব কাছে পৌঁছে গেছেন। প্রবীণ নাগরিক তসলিম উদ্দিন বাবু বলেন, “তিনি কেবল ফাইলে সীমাবদ্ধ নন, মানুষের কষ্ট বুঝতে মাঠে নামেন। এমন জেলা প্রশাসক খুব কমই দেখা যায়।” মানবিক সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা, দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণ সমাজকে উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তিনি প্রশাসনকে জনগণের সত্যিকারের সেবায় পরিণত করেছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “আমি নিজেকে প্রশাসক নয়, মানুষের সেবক হিসেবে মনে করি। নীলফামারীর প্রতিটি মানুষের সমস্যা ও উন্নয়নই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এই উন্নয়নমুখী, মানবিক ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ধারা অব্যাহত থাকলে নীলফামারী খুব শিগগিরই সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নের একটি জাতীয় দৃষ্টান্তে পরিণত হবে।