বসিলাম অংক করিতে সুত্র বলে যোগে যোগে হয় যোগ, টাকা পয়সা ধন সম্পদ এক করিলে তাকে বলে যোগ। বিয়োগে বিয়োগে হয় যোগ এ আবার কেমন রোগ? একে একে অনেক হারিয়ে
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, লেগেই থাকে উৎসব অনুষ্ঠান, ধর্মপ্রাণ বাঙালির সভ্যতা সংস্কৃতি, ডিজিটাল যুগে ও বর্তমান। এখনও জারি আছে কিছুটা হলেও, উৎসব কেন্দ্রিক আয়োজন, তবে জৌলুস হারিয়ে যাচ্ছে দ্রুত,
একটা ডাহা মিথ্যে কানের কাছে চোঙা ফুঁকে ফুঁকে আর রাত দিন সে একঘেয়ে ধামাধরা বোকা বাক্সের ভাড়া করা প্রেত প্রেতিনীদের খোনা খোনা গলায় ঘ্যানঘ্যান করে গেলে অবশেষে একসময় মিথ্যেটাই সত্যি
ভেঙে গেছে হৃদয় ঠিক কবে জানি না, যেদিন তুমি ‘ভালো আছি’ লিখে সবচেয়ে দূরে সরে গেলে। কথাগুলো ধীরে ধীরে নীরবতার খাতায় জমা পড়ল, আর আমি শব্দ খুঁজতে খুঁজতে নিজেকেই হারালাম।
এসে ছিলাম দেশের বাড়ি, শীতের পিঠে পুলি খেতে। কিন্তু এত শীত যে, ঘরের থেকে পারিনা বেরতে। উত্তরের হাওয়ায় শরীরটা জমে যাচ্ছে। কাচু মুচু হয়ে লেপের উমে, উ-উ-উ খুব শীত লাগে
ভালোবাসা কি! শুধু পুরুষের জন্যে? আমিতো শুনেছি,নারী পুরুষ লাগে ভালোবাসার মেল বন্ধনে হতে,অন্ততঃ যৌবনে অবশ্য প্রয়োজনীয় তবে, কেন সিনেমা যাত্রার হোর্ডিংয়ে এমনকি কোন দ্রব্যের প্রচারে কেন অর্ধ নগ্ন নারীর শরীর
প্রিয়তমা!কতো সুন্দর তুমি, নিষ্পাপ তোমার দুটি আঁখি। অপলক দৃষ্টিতে তাই তো, তব পানে আমি চেয়ে থাকি। কতো সুন্দর তব মুখখানি, কি নিদারুন মায়া! এক পলকেই,আমার হৃদয়ে পড়েছে তব ছায়া! তব
” লোভ, হিংসা, স্বার্থে– কিছু লোক মানুষে-মানুষে পরস্পর বিদ্বেষ ও অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করে; অশান্তিতে নয়, শান্তির পরিবেশে মানুষের সমাজে মানুষ যেন মানুষের মতো বাঁচতে পারে। আমাদের পরিচয় আমরা মানুষ
কোনো কাজেই,অধিক সময় ব্যয় করেনা মানুষ সত্বর হবে,যে কাজ সেথায় ছোটে,হুঁশ। গোরুর গাড়ি,কাঠের চাকা যায়না দেখা আর কদিৎ যদি,যায়বা দেখা প্রয়োজন নেই তার। পারে নাকো,শ্রমিকরা আর করতে কঠোর শ্রম সেই
হঠাৎ করে শীতের কামড় ভীষণ কাবুতে এই শহর, গরীব সবার করুণ প্রকাশ কাঁপুনি ঝাঁঝে পূর্ণ প্রহর। গরম কাপড় লাগে তাদের চেয়ে থাকে পথের পানে, আসেনা কেউ দিতে তেমন খোঁজ কেবল