
বর্তমান সমাজে অরাজনৈতিকতা ও দূর্নীতির একটা স্বচ্ছ চিত্র প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে, যে পরিস্থিতি ও নির্মম ঘটনা নিম্ন মধ্যবিত্ত তথা নিম্নবিত্ত পরিবারের মানুষেরা মর্মে মর্মে পলে পলে উপলব্ধি করে যাচ্ছেন । যদিও সরকারি অনুদান হিসেবে দরিদ্র মানুষের সামান্য কিছু সহায়তা জুটছে, কিন্ত পর্যাপ্ত নয় ও চাহিদা পূরণ করাটা নিতান্তই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয় । বৃহৎ সংখ্যক নিরন্ন অর্ধাহারী লোকেরা কর্মহীন, বেকার । কোনো প্রতিপত্তিশালী যদিও বার দু’এক কিছুটা সাহায্য করে থাকেন অসহায়দের, তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য থাকে বিজ্ঞাপন দেওয়া, নাম ছড়ানো দাতা রূপে, স্যোসিয়াল মিডিয়ায় বায়রাল্ হওয়ার । এই যৎসামান্য দানে কি আর সারাবছর ক্ষুধা মেটে ? তা আর কে ভাবে ? সরকারি অনুদান থেকেও জনগণের যথার্থ প্রাপ্যটূকু না বিলিয়ে কিঞ্চিৎ প্রাপ্য পূরণ করে আনপঢ় সাধারণ মানুষকে মিথ্যা বুঝিয়ে সুঝিয়ে দূর্নীতি পরায়ণরা দরিদ্র মানুষের পেটে লাথি মেরে আত্মসাৎ করার যথেষ্ট প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, আবার অনেক অমানবিক ব্যক্তিত্ব হাতে নাতে ধরা পড়ে নির্লজ্জের মতো আইনের দারস্থ হতেও দ্বিধাবোধ করেননি বা করেন না । সত্যিই ভাবতে অবাক লাগে ও মানব সমাজের অমানবিক আচরণে ঘৃণার উদ্রেক হয়, যে —-
‘এ জগতে হায়! সেই বেশি চায়,
আছে যার ভুরি ভুরি,
রাজার হস্ত করে সমস্ত
কাঙালের ধন চুরি’ ।