
কথা দিয়েছিলে ভুলে যাবে শরীফুল,
আর সূর্য্য উঠবেনা সীমাহীন আকাশের গায়,
মধ্যাহ্নের পালকে লেগে থাকবে অচিন বলাকা গর্ভ
মোড়কে বরফ ঢাকা অবরুদ্ধ শীতল আবেগ,
অসহিষ্ণু বিরোধ মৃত্তিকায়—-
শৈবালের দাম বেঁধে দেবে স্রোতের নদি কে,
আঁকা হবে নেতিবাচক শিল্পীর ছায়ানট দাড়িকমা,
বিন্দুতে বিন্দুতে টানা হবে সাড়ে তিনহাত জমি |
আত্মমর্য্যাদায় টানা হবে বিচ্ছিন্ন একটা দেশ,
হিংসাদ্বেষ প্রত্যার্পনের অযুহাতে লেখা হবে মাতৃতুমি
বিদেশের ব্যাকারনে সীমাবদ্ধ ক্ষেত্র,
নিজের অস্তিত্বহীন ব্যভিচারে পরন্মুখ অধীনতা,
যেখানে সেখানে নিরাশার পদচিহ্ন স্পষ্ট,
অথবা যীশুর পুনঃরুত্থানে ইসার মুসার বিভাজন, |
পরিবেশ পরিস্থিতি প্রত্যুষে সঙ্কটাপর্ণ ভেবে
শরনার্থি দলে দলে ডুবে যাবে অথৈ সমুদ্রের তলে,
বিকৃত ইতিহাসের পাতায় পাতায় নবিজীর বানী—
যে যার নিজের মতো লিখে দেবে ভাষার নৈবিদ্যে,
তর্জমা করবে হিংসায় কাফেরের নিপূণ ভঙ্গিতে,
একদল বন্দুকের নলে শক্তির উৎস্য খুঁজে,
আনবিক বোমার ভয় দেখাবে—-
পর্যুদস্ত করতে অন্য দূর্বল চেতা মানুষগুলোকে ৷
প্রবৃত্তির চাপে বেইজ্জতের প্রাধান্য নিয়ে–
লুন্ঠিত করবে ধনসম্পত্তির মালিকানা,
নারী শিশু ফুল অসহায় মানুষকে পরাবে সৃঙ্খল,
ঠিক তখনই অনন্ত শয্যায় শুয়ে সম্রাট দৃহিতা জাঁহানারা ভগ্নি ঔরঙ্গজেবের,
তাঁর সমাধীতে লেখা “জান্নাতুম মোবারকবাদ”!
শরীফুল,
তুমি কথা দিয়েছিলে হোসনে-আরাকে—
ঈমানের সাথে শুনিয়েছিলে হাওয়ার পদবী,
আদমের বেহেস্তবাসের সেই নির্দ্ধারিত দিন,
শয়তান দিয়াবল প্রলুব্ধ করেছে ভুল পথে চালনায়,
অবশেষে পৃথিবীতে এসে তাঁর বংশধরেরা আজ,
ভুল পদক্ষেপ নিতে নিতে বিপর্যস্ত দিশাহীন,
ভ্রাতৃহত্যার নৃশংস প্রবৃত্তি নিয়ে সমাজ বিরোধী,
শেষ যেন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের ময়দান মহাভারতের
মুঘলের পয়গাম নামা সে বাহাদুর শাহে,
অথবা সুসভ্য যাদবকুলের ধ্বংস নিশানা বৈরিতায়,
চরম সত্যের নিদর্শন |
বাস্তবতার নিরিখে নতুন সূর্য্যোদয়—
তুমি আমি ফিরবনা পেছনের দরজা টপকে,
ভুলে যাব ইতিহাস,
লেখা হবে কল্পিত বয়ানে স্বার্থপরতায় শেষ অঙ্ক,
ইতিবাচক ভুমিকায় মিথ্যে মিথ্যে অশুভ ইঙ্গিতে,
যা কিছু বিশ্বাস ভেঙ্গে অবিমৃষ্যকারিতায়,
বিভেদের ধর্মান্ধতা |
সুশিক্ষায় ফতোয়া দিওনা মুসাফির,
অজ্ঞানতা ডেকে আনে জানোয়ারের স্বভাব,
,”তোমাকে বধিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে”!
স্বহিংস হইও না,মানুষই একমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ জীব |
“”””””””””””””( নতুন লেখা থেকে সংগৃহীত)”””””””””””””””””