1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. contentmgr5571@gmail.com : contentmgr55 :
  3. dailyhumanrights@gmail.com : dailyhumanrights :
  4. developer915@yahoo.com : developer91 :
  5. publisher2119@yahoo.com : publisher21 :
নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রি: আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে প্রশ্নের পর মামলা সৃজনের আশ্বাস - dailyhumanrights
১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| রাত ১২:১১|
শিরোনামঃ
নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রি: আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে প্রশ্নের পর মামলা সৃজনের আশ্বাস হাজীগঞ্জ হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার উদ্যোগে ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে এক ওয়াজ মাহফিল নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের বিরুদ্ধে তদন্তে সত্যতা: শুনানির পর ব্যবস্থা নাকি দায়সারা পদক্ষেপ নীলফামারীতে তথ্য গোপনে নিয়োগ বাতিল, উপপরিচালকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ নীলফামারীতে অনিয়মের সত্যতা ও তদন্ত প্রতিবেদন আছে—তবু ব্যবস্থা নেই গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের নীলফামারীতে হুমকি-ভয়ভীতির অভিযোগে উত্তপ্ত মতিয়ার বিল,নির্বাচন দাবিতে মানববন্ধন নীলফামারীতে মতিয়ার বিলের সমবায় বিরোধে আতঙ্ক: নিরাপত্তা চেয়ে ৫ শতাধিক মানুষের মানববন্ধন ভাড়ার টাকায় নিজের ফ্ল্যাটের মালিক—মধ্যবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের স্বপ্নপূরণে নতুন সম্ভাবনা নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্তে সত্যতা, নির্দেশের দুই মাসেও নেই মামলা সৃজন নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল, পজিশন বিক্রি ও মসজিদ স্থানান্তরের প্রশাসনিক নির্দেশের দুই মাসেও মামলা সৃজন-উচ্ছেদ নেই

নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রি: আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে প্রশ্নের পর মামলা সৃজনের আশ্বাস

নীলফামারী প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View

সরকারি খাসজমি। সরকারিতদন্তে মিলেছে সত্যতা। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সরকারি খাসজমি দখল, ‘পজিশন’ বিক্রি এবং মসজিদ স্থানান্তর করে জমি বিক্রির অভিযোগ। এমনকি পজিশন বিক্রির ডিডের কপিও তদন্ত-সংক্রান্ত নথির সঙ্গে সংযুক্ত জেলা প্রশাসনের দপ্তরে জমা পড়েছে। সম্পত্তি জবরদখলের বিষয়ে অভিযোগ গ্রহণ এবং তদন্ত মনিটরিং সংক্রান্ত জেলা কমিটির মে/২০২৬ মাসে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এস,এ শাখা হতে ২৫ জুন ২০২৬ সভার কার্যবিবরণীর গৃহীত সিদ্ধান্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি), নীলফামারী সদর-এর কাছে পাঠানো হয়। এরপরও প্রায় তিন মাস ধরে নেই মামলা সৃজন, নেই দৃশ্যমান উচ্ছেদ কার্যক্রম। নথি আছে, তদন্ত আছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লিখিত নির্দেশনাও আছে—তবু সরকারি জমি উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ কোথায়, সেই প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

এই দীর্ঘসূত্রতার মধ্যেই ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। সভায় হাজীগঞ্জ বাজারের সরকারি খাসজমি দখল, দোকানের ‘পজিশন’ বিক্রি, মসজিদ স্থানান্তর এবং তদন্ত-পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নীলফামারী জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব আব্দুল মোমিন। বিষয়টি শুনে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহকে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। পরে নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে এ বিষয়ে মামলা সৃজন করা হবে। প্রশাসনের এই নতুন আশ্বাস এখন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ শুধু মামলা সৃজনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই নয়, মামলার পর সরকারি জমি বাস্তবে দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা থাকলে আইন অনুযায়ী অপসারণ, সরকারি সম্পত্তির দখল ও ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা নির্ধারণ এবং পজিশন বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের আইনগত দিক যাচাই—সবকিছুর কার্যকর অগ্রগতি নিশ্চিত করাও জরুরি।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর। অভিযোগ অনুযায়ী, জয়ন্ত কুমার, পিতা ব্রতনাথ রায়, নিজের দোকানের পূর্বদিকে এবং মসজিদের উত্তরে সরকারি খাসজমিতে ইটের গাঁথুনি দিয়ে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধের উদ্যোগ নেয়। পরে ৩০ ডিসেম্বর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে পুরোপুরি দখলমুক্ত হয়নি। একই এলাকার মো. আফজাল হোসেন, পিতা মৃত অহেদ আলীর প্রায় ০.১৫০০ একর জায়গায় ১১টি সেমিপাকা দোকানঘর রয়েছে। সরকারি খাসজমিতে দোকান নির্মাণের পাশাপাশি ‘পজিশন’ বিক্রি এবং মসজিদ স্থানান্তর করে জমি বিক্রির বিষয়ও সামনে আসে। এ নিয়ে ২০২৬ সালের ১২ জানুয়ারি চৌরঙ্গী মোড়ে মানববন্ধন ও গনস্বাক্ষর সংগ্রহ কর্মসূচি হয়। পরে জেলা প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়। অবশেষে গোড়গ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিস ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তদন্ত প্রতিবেদন সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয়ে পাঠান। নীলফামারী সদর উপজেলা ভূমি অফিস তদন্ত শেষে ৬ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠায়। সরকারি নথি অনুযায়ী, কীর্তনীয়াপাড়া মৌজার জেএল নং-১৩-এর বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমির আরএস দাগ নং-৮২৮ এবং সাবেক দাগ নং-১১৮১ এলাকায় প্রায় ০.১৫০০ একর জমিতে ১১টি আধাপাকা দোকানের সত্যতা পায় প্রশাসনিক তদন্তে। তদন্ত-সংক্রান্ত নথিতে পজিশন বিক্রির ডিডের কপিও সংযুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে সরকারি জমির ওপর ব্যক্তিগতভাবে ‘পজিশন’ কেনাবেচার অভিযোগটি শুধু মৌখিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ নেই, এর পক্ষে নথি প্রশাসনের হাতে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এখন এসব ডিডের আইনগত বৈধতা, কারা এসব লেনদেনে যুক্ত এবং সরকারি খাসজমির ওপর এ ধরনের লেনদেনের সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো এসব প্রশ্নের উত্তর ঘুরপাক খাচ্ছে। সম্পত্তি জবরদখলের বিষয়ে অভিযোগ গ্রহণ এবং তদন্ত মনিটরিং সংক্রান্ত জেলা কমিটির মে/২০২৬ কমিটির সভার সিদ্ধান্তের পর ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মামলা সৃজন না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের পথে কোথায় আটকে ছিল প্রক্রিয়াটি? এর আগে নীলফামারী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. মলি আক্তার জানিয়েছিলেন, বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং পরবর্তীতে মামলা সৃজন ও উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুল ইসলামও বিষয়টি রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর মামলা সৃজন ও উচ্ছেদ করা হবে। কিন্তু রাজস্ব সভায় উপস্থাপনের পর থেকে বাস্তবে মামলা সৃজন পর্যন্ত যেতে কেন কয়েক মাস সময় লাগল—তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনো সামনে আসেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025