যেদিন তুমি ছেড়ে দিয়েছিলে হাত আমার,
সেদিন ঐ নীল আকাশটা ঘন মেঘে ছেয়ে গিয়েছিল,জানোতো?
বেদনার নীল আর গগণের নীল একাত্ম হয়ে পরিণত হয়েছিল সেদিন মিশমিশে কালো রুপে।
আমার সূর্য্য-স্ন্যাত প্রখর দীপ্তিময় আলোকজ্জ্বল বসুন্ধরা ততক্ষণে ছেয়ে গেছে নিঃসীম,ঘোর আঁধারে।
হাতড়ে বেড়াতে শুরু করলাম একটা দিয়াশলাই,,,
আলোর পিদিম জ্বালবো বলে।
তোমার ধূসর হওয়া,ধুলো পড়া স্মৃতিটাকেও
হাতড়ালাম বেশ কিছুক্ষণ।
যদি আলো আসে!তোমার আলো!
তুমি ছিলে যখন,এমন আঁধারেও কোন কিছু খুঁজে পেতে সমস্যা হয়নি আমার।
এখন নিরুপায় আমি কি করি বলোতো?
কিন্তু,যে আমি তোমার নেশায় চুর,
তোমার সান্নিধ্যে বুঁদ,
সেই আমি এখন বাঁচব কিভাবে? বলোতো তুমি!
ঘুমঘোরে তুমি প্রায়ঃশই চলে আস।
স্বপ্নের প্রথম প্রহরে তোমায় দেখি সেই প্রথম জীবনের শিশির শিক্ত স্নিগ্ধময় আবেশি ভঙ্গিতে,অপরুপা সাজে অপ্সরী রুপে।
এটাই আমার দু:খাতুর সুখানুভূতি!